গতকাল শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) ঢাকার আল মোস্তফা আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ প্রতিনিধির দপ্তর, বাংলাদেশ ইমামিয়া উলামা সোসাইটি, আল হাদি আন নাজিব ফাউন্ডেশন এবং ইনস্টিটিউট অব হিউম্যান সাইন্স রিসার্স এর উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে হযরত আলী (আ.) এর ব্যক্তিত্ব ও মর্যাদার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
‘বয়ানে ফাযায়েলে রজব ও জশনে মওলুদে কা’বা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর উপাচার্য প্রফেসর ড. আনিসুজ্জামান ও ঢাকাস্থ ইরান সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের কালচারাল কাউন্সেলর সাইয়্যেদ রেযা মীর মোহাম্মাদী।
অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সাবেক খতিব ও আরেফীন দরবার সাঁতাকূল দায়েরা শরীফের পীর সাহেব মাওলানা ড. সৈয়দ এমদাদ উদ্দনি নিজামপুরী, ঢাকাস্থ মহাখালী দারুল উলুম হোসাইনিয়া কামিল মাদরাসার প্রিন্সিপাল ড. মোহাম্মাদ নজরুল ইসলাম আল-মারুফ, বাংলাদেশ ইমামিয়া উলামা সোসাইটির সহসভাপতি হুজ্জাতুল ইসলাম সাইয়্যেদ আফতাব হোসাইন নাকাভী, ইন্সটিটিউট অব হিউম্যান সাইন্স রিসার্স এর পরিচালক ড. এ কে এম আনোয়ারুল কবীর, বাংলাদেশ ইমামিয়া উলামা সোসাইটির সেক্রেটারী জেনারেল ড. এম আব্দুল কুদ্দুস বাদশা এবং রাজধানীর মোহাম্মদপুরে অবস্থিত আলী ইবনে আবি তালিব ইসলামিক ইনস্টিটিউটের প্রিন্সিপাল হুজ্জাতুল ইসলাম মোহাম্মদ আলী মূর্তজা।
অনুষ্ঠানে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকাস্থ রাসূলে আকরাম (সা.) ইসলামিক ইন্সটিটিউট এর প্রিন্সিপাল ড. মোহাম্মদ মাঈন উদ্দন। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পৃথিবীতে যত মহান মনীষীর জন্ম হয়েছে তাদের অন্যতম হলেন আমিরুল মু’মিনিন হযরত আলী (আ.)। তিনি এমন এক মহান ব্যক্তিত্ব ছিলেন,যার সম্মান-মর্যাদা, জ্ঞান ও সাহসী ভূমিকা ইসলামের ইতিহাসে চির স্মরণীয় হয়ে আছে। ইসলামের ইতিহাসে রাসূলে খোদার পর ধর্মীয়,সাংস্কৃতিক এবং জ্ঞান-গবেষণার ক্ষেত্রে যার প্রচেষ্টাকে যুগান্তকরী বলে মনে করা হয় তিনি হলেন হযরত আলী (আ.)। বক্তারা বলেন, হযরত আলী (আ.)’র আকাশ-ছোঁয়া বীরত্ব ও মহত্ত্ব কেবল মুসলিম কবি, সাহিত্যিক বা মনীষীদেরই প্রভাবিত করেনি, অমুসলিম পণ্ডিতরাও তার সুবিশাল ব্যক্তিত্বের ব্যাপকতায় অভিভূত ও হতবাক হয়েছেন।