অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রিয়াজ বলেছেন, জনগণের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই আসন্ন গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, 'আর যাতে কোনো মায়ের বুক খালি না হয়, এ জন্যই গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে।' এর মাধ্যমে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং মানবাধিকারের স্থায়ী সুরক্ষার ইঙ্গিত দেন তিনি।
জাতীয় সনদ: কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নয় অধ্যাপক আলী রিয়াজ স্পষ্ট করে দেন যে জাতীয় সনদ কোনো একক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের দলিল নয়। তিনি উল্লেখ করেন, এটি একটি ঐকমত্যের ভিত্তিতে তৈরি হওয়া গুরুত্বপূর্ণ নথি। দীর্ঘ নয় মাস ধরে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মতামত ও পরামর্শ গ্রহণের পরই ‘জুলাই সনদ’ তৈরি করা হয়েছে। এটি শুধুমাত্র গণভোটের মাধ্যমেই বাস্তবায়িত হবে।
১২ ফেব্রুয়ারির গণভোটের গুরুত্ব আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জনগণের ম্যান্ডেট নিশ্চিত করার মাধ্যমে এই সনদের বাস্তবায়ন জরুরি। এই গণভোটের ফলাফলের ওপর নির্ভর করবে ভবিষ্যতের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক কাঠামো। এই সনদের মাধ্যমে দেশে স্থায়ী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠাই প্রধান লক্ষ্য বলে মনে করা হচ্ছে।
দীর্ঘমেয়াদী ঐকমত্যের প্রতিফলন বিশেষ সহকারী আলী রিয়াজ আরও জানান, এই সনদ প্রণয়নের প্রক্রিয়ায় সর্বস্তরের মানুষের মতামতের গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও রাষ্ট্রীয় সংস্কারকে এগিয়ে নিতে বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে ঐকমত্যের (Consensus) ভিত্তিতে এই সনদ প্রস্তুত করা হয়েছে। এই ঐকমত্যই দেশের ভবিষ্যত চলার পথের ভিত্তি রচনা করবে।