দুর্বৃত্তদের হাতে নৃশংস হত্যাকাণ্ড
ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ করিমপুর এলাকার মুহুরী বাড়ির পাশের জমি থেকে সোমবার রাত আনুমানিক ২টার দিকে সুমিত দাসের (২৯) রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি মাতুভূঞা ইউনিয়নের রামানন্দপুর ফাজিলের ঘাট জেলে বাড়ির বাসিন্দা এবং কার্তিক দাসের ছেলে।
ঘটনার সূত্রপাত ও পরিবারের খোঁজাখুঁজি
নিহত সুমিতের পরিবার জানায়, রোববার রাত ৮টার দিকে তিনি অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকেই তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। দীর্ঘ সময় ধরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় আত্মীয়স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। অবশেষে, সোমবার দিবাগত রাত ২টার দিকে দক্ষিণ করিমপুর এলাকায় তার লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত ও আলামত
খবর পেয়ে দাগনভূঞা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে জানা যায়, নিহত সুমিতের মাথা, মুখ ও বুকে ধারালো দেশীয় অস্ত্রের একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের কারণ ও মামলার প্রস্তুতি
তবে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের কারণ এবং এতে জড়িত দুর্বৃত্তদের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক ও শোক বিরাজ করছে। দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফজলুল আজিম নোমান জানান, নিহতের বাবা বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশ জোর তদন্ত কার্যক্রম চালাচ্ছে বলে তিনি নিশ্চিত করেন। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।