সম্পত্তি ভাগাভাগির শর্ত স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত সুরুজ মিয়া জীবদ্দশাতেই তাঁর তিন ছেলেকে জমিজমা ও সম্পত্তি আলাদা করে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন। তবে এই সম্পত্তির একটি শর্ত ছিল— বাবার হজের জন্য নির্ধারিত টাকা পরিশোধ করার পরই পরিবারের থাকা ৬টি গরু তিন ছেলের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হবে।
ঘটনার সূত্রপাত ও হত্যাকাণ্ড সোমবার বিকেলে বড় ছেলে ফয়েজ মিয়া বাবার হজের টাকা পরিশোধ না করেই গরু বিক্রির উদ্যোগ নেন। এতে বাবা সুরুজ মিয়ার সঙ্গে ছেলের তীব্র তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ফয়েজ মিয়া কাঠের চেলি (লাঠি) দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করতে থাকেন তাঁর বাবা সুরুজ মিয়ার মাথায়। গুরুতর আহত অবস্থায় সুরুজ মিয়া মাটিতে লুটিয়ে পড়লে অভিযুক্ত ছেলে ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত পালিয়ে যান।
পুলিশের উদ্ধার ও মামলা পরে পরিবারের সদস্যরা মুমূর্ষু সুরুজ মিয়াকে উদ্ধার করে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার পথে তিনি মারা যান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে মুরাদনগর থানায় নিয়ে আসে।
পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের অভিযান মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান জামিল খান নিশ্চিত করেছেন যে, গরু ভাগাভাগিসংক্রান্ত বিরোধের জেরেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। ওসি আরও জানান, ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত ছেলে পলাতক রয়েছে এবং তাকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত আছে।