তদন্তে আহতদের খুঁজে না পাওয়ায় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক শাহজাহান ভূঞাঁ এই প্রতিবেদন দাখিল করেন।
সম্প্রতি প্রতিবেদনটি দাখিল করা হয়। সোমবার (১৪ জানুয়ারি) প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই আবুল বাশার এ তথ্য জানান।
আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি প্রতিবেদন গ্রহণের বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য রয়েছে। মামলা সূত্রে জানা যায়, সীমান্ত স্কয়ার থেকে কাজ শেষে বাসায় ফেরার পথে সাহেদ আলী আহত হন। সে সময় ঢাকা কলেজ ও সিটি কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থীসহ মোট ৯ জন আহত হন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়। এ ঘটনায় আহত ওই ব্যক্তির কথিত ভাই শরীফ বাদী হয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১৩ জনকে আসামি করে ধানমন্ডি থানায় মামলা দায়ের করেন।
থানা পুলিশ মামলার তদন্তকালে চারজনকে গ্রেপ্তার করে। এরপর মামলার তদন্তভার পায় পিবিআই।
তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, আহতদের খুঁজে পাওয়া যায়নি। তথ্যগত ভুলের কারণে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১৩ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।
মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন— শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক মন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ, মোহাম্মদ এ আরাফাত, জুনায়েদ আহমেদ পলক, জাহাঙ্গীর কবির নানক, মাহবুবুল আলম হানিফ, শামীম ওসমান, ফেরদৌস আহমেদ, নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।
এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহজাহান ভূঞাঁ বলেন, জুলাই আন্দোলনে আহতদের নিয়ে একটি গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। এই মামলায় যেসব আহতের কথা বলা হয়েছে, গেজেটে তাদের নাম পাওয়া যায়নি। তথ্যগত ভুলের কারণে আপাতত আসামিদের অব্যাহতি চেয়ে প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে আহতদের তথ্য পাওয়া গেলে অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে।