ভারতের সেনাপ্রধান সম্প্রতি এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক যোগাযোগ এবং সহযোগিতার জন্য একাধিক চ্যানেল খোলা রয়েছে। এই মন্তব্য দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে দৃঢ় সামরিক সম্পর্ক এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা বজায় রাখার গুরুত্বকে তুলে ধরে।
যোগাযোগের নতুন দিগন্ত সেনাপ্রধান উল্লেখ করেন যে শুধু আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক মাধ্যম নয়, সামরিক বাহিনীগুলোর মধ্যে অপারেশনাল এবং কৌশলগত পর্যায়েও নিয়মিত ও ফলপ্রসূ যোগাযোগ বজায় আছে। একাধিক চ্যানেল খোলা থাকার অর্থ হলো যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে বা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় দ্রুত তথ্য আদান-প্রদান করা সম্ভব।
আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদার দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যেকার এই নিবিড় সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হয়। সেনাপ্রধানের মতে, এই যোগাযোগ ব্যবস্থা কেবল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককেই মজবুত করে না, বরং পুরো অঞ্চলের সামগ্রিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেও সহায়ক ভূমিকা পালন করে। দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে নিয়মিত যৌথ মহড়া ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এই সহযোগিতারই অংশ।
প্রতিরক্ষা সম্পর্ক বৃদ্ধি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সহযোগিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ, প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি ভাগ করে নেওয়া এবং উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তাদের মধ্যে নিয়মিত বৈঠকের মাধ্যমে দুই দেশই তাদের দীর্ঘমেয়াদী অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করার দিকে মনোযোগ দিচ্ছে।