প্রকাশ্য দিবালোকে হত্যা, DB-র হাতে কিলিং মিশনের সদস্য
যশোরে চাঞ্চল্যকর আলমগীর হোসেন (৫২) হত্যা কিলিং মিশনে অংশগ্রহণকারী অন্যতম আসামি মো. শাহিন কাজীকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে যশোর জেলা গোয়েন্দা শাখা (DB)। এই হত্যাকাণ্ডের মূল শুটার ত্রিদিপ চক্রবর্তী মিশুকের ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির ভিত্তিতে শাহিন কাজীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর মধ্য দিয়ে জেলা গোয়েন্দা শাখা এই মামলার সকল রহস্য উদঘাটন করতে সক্ষম হয়েছে বলে জানিয়েছে।
শংকরপুর এলাকায় গুলি
আলমগীর হোসেনকে গত ৩ জানুয়ারি ২০২৬ সন্ধ্যা ৭টার দিকে যশোর কোতোয়ালী মডেল থানাধীন শংকরপুর ইসহাক সড়ক সংলগ্ন হুদা মেমোরিয়াল-এর পাশে সাবেক কাউন্সিলর নয়নের অফিসের সামনে পাকা রাস্তার উপর গুলি করে হত্যা করা হয়।
হামলার ধরন: ভিকটিম তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলযোগে পৌঁছানো মাত্রই পিছন থেকে অনুসরণ করতে করতে আসা অজ্ঞাতনামা অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে চলন্ত মটর সাইকেল থেকে মাথা লক্ষ্য করে গুলি করে দ্রুত পালিয়ে যায়।
মৃত্যু: গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল, যশোর-এ নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
শুটারের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে সহযোগী আটক
প্রথম গ্রেপ্তার: ডিবি যশোরের একটি চৌকস টিম গত ৭ জানুয়ারি ২০২৬ মূল শুটার **ত্রিদিপ চক্রবর্তী মিশুক (৩০) কে গ্রেপ্তার করে।
দ্বিতীয় গ্রেপ্তার: মূল শুটার মিশুকের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি (Section 164 Confession) থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ডিবি যশোর গত ১২ জানুয়ারি ২০২৬ বিকাল ৪টা ৪৫ মিনিটের সময় আলমগীর হত্যা কিলিং মিশনে অংশগ্রহণকারী মো. শাহিন কাজীকে লোন সড়ক (সদর ফাঁড়ির বিপরীত পাশে ভাড়া বাসা) কোতোয়ালী, যশোর হতে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃতের অতীত রেকর্ড ও আইনি প্রক্রিয়া
গ্রেপ্তারকৃত মো. শাহিন কাজী (২৫) যশোরের আলোচিত জুম্মান হত্যা মামলার এজাহার নামীয় আসামি। পূর্বে তার বিরুদ্ধে হত্যা, চাঁদাবাজি সহ ০৩টি মামলা রয়েছে।
দোষ স্বীকার: পরবর্তীতে ধৃত আসামি বিজ্ঞ আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।
আসামীকে ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়।