আধুনিকতা ও দেশীয় প্রযুক্তির ওপর জোর
সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী বলেন, ভারতীয় সেনাবাহিনী এখন সুপ্রশিক্ষিত বাহিনী, যারা আধুনিক সরঞ্জাম এবং বহুমাত্রিক অভিযানের সক্ষমতা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার একজন সৈনিককে আরও সক্ষম করে তুলছে। তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, আত্মনির্ভরতা (আত্মনির্ভরতা) এখন আর কেবল একটি লক্ষ্য নয়, বরং এটি ভারতের জন্য কৌশলগতভাবে অত্যন্ত জরুরি একটি বিষয়।
‘অপারেশন সিন্দুর’ এবং বাহিনীর পরিবর্তন
জেনারেল দ্বিবেদী জানান, গত কয়েক বছরে ভারতীয় সেনাবাহিনীর চিন্তাধারায় স্পষ্ট পরিবর্তন এসেছে। তাঁর ভাষায়, সম্প্রতি পরিচালিত ‘অপারেশন সিন্দুর’ (Operation Sindoor) একটি ‘নতুন বাস্তবতা’ তৈরি করেছে। এই সামরিক অভিযানের মাধ্যমে সেনাবাহিনী দ্রুততা, সুসমন্বয় ও নিখুঁতভাবে আঘাত হানার সক্ষমতা প্রমাণ করেছে। এটি একটি পরিণত ও আত্মবিশ্বাসী বাহিনীর প্রতিচ্ছবি, যারা পরিমিত কিন্তু দৃঢ় ও দায়িত্বশীল পদক্ষেপে জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় সক্ষম।
ভবিষ্যৎ চাহিদার জন্য নতুন কাঠামো
সেনাপ্রধান আরও বলেন, আমরা শুধু বর্তমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছি না, ভবিষ্যৎ যুদ্ধের জন্যও প্রস্তুতি নিচ্ছি। সেই লক্ষ্য পূরণে নতুন সামরিক কাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে, যা ভবিষ্যতের চাহিদা অনুযায়ী সজ্জিত ও বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত করা হবে। তিনি নিশ্চিত করেন, ভারতীয় সেনাবাহিনী সব সময় যেকোনো ধরনের হামলা মোকাবিলায় প্রস্তুত এবং ভবিষ্যতের যুদ্ধের জন্যও বাহিনী সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত রয়েছে। আজকের কুচকাওয়াজ সেই প্রস্তুতিরই প্রতিফলন, এবং সামনে এই প্রস্তুতি আরও জোরদার করা হবে। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সেনাবাহিনী প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতেই থাকবে।