• দেশজুড়ে
  • নীলফামারীতে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় ৩ দিনেও গ্রেপ্তার নেই: উদ্বেগ প্রকাশ সাংবাদিকদের

নীলফামারীতে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় ৩ দিনেও গ্রেপ্তার নেই: উদ্বেগ প্রকাশ সাংবাদিকদের

দেশজুড়ে ১ মিনিট পড়া
নীলফামারীতে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় ৩ দিনেও গ্রেপ্তার নেই: উদ্বেগ প্রকাশ সাংবাদিকদের

পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে ডিমলায় দুই সাংবাদিক হামলার শিকার; এজাহারভুক্ত আসামিরা প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করলেও পুলিশের নীরবতায় ক্ষোভ।

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে হামলার শিকার হওয়া দুই সাংবাদিকের ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের তিন দিন পরও কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। এতে উপজেলার কর্মরত সাংবাদিকরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

আহত সাংবাদিকরা হলেন ‘কালবেলা’র ডিমলা প্রতিনিধি ও প্রেস ক্লাব ডিমলার সহসভাপতি কামরুজ্জামান মৃধা এবং ‘বার্তা বাজার’ ও ‘দৈনিক নয়া দিগন্তের’ প্রতিনিধি ও একই ক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রেজোয়ান ইসলাম।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল পর্যন্ত পুলিশ কোনো আসামি গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করতে পারেনি।

পূর্বপরিকল্পিত হামলার অভিযোগ

গত বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ডিমলা উপজেলার নাউতারা ইউনিয়নের শুকানদিঘী এলাকায় সংবাদ সংগ্রহের সময় পূর্বপরিকল্পিতভাবে হামলার শিকার হন ওই দুই সাংবাদিক। হামলায় তারা গুরুতর আহত হন এবং বর্তমানে ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ঘটনার রাতেই আহত সাংবাদিক মো. রেজোয়ান ইসলাম বাদী হয়ে ডিমলা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় পাঁচজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করা হয়।

পুলিশের নীরবতা নিয়ে হতাশা

মামলার বাদী মো. রেজোয়ান ইসলাম পুলিশের ভূমিকার সমালোচনা করে বলেন, “ঘটনার এতদিন পরও পুলিশ কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার না করায় আমরাসহ উপজেলার সব সাংবাদিক চরম হতাশ। আমরা দ্রুত সব আসামিকে গ্রেপ্তার করে সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।”

আহত সাংবাদিক কামরুজ্জামান মৃধা এই হামলাকে ‘পরিকল্পিত’ উল্লেখ করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “এটি একটি পরিকল্পিত হামলা। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাদের ওপর হামলা করা হয়েছে। ঘটনার পরও আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠবে।”

এ বিষয়ে প্রশাসনের বক্তব্য জানতে ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শওকত আলী সরকার ও সহকারী পুলিশ সুপার নিয়াজ মেহেদীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁরা ফোন রিসিভ করেননি। পুলিশের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছে স্থানীয় সাংবাদিক মহল।

Tags: press freedom nilphamari journalist attack dimla police no arrest media safety press club dimla planned attack