সোমবার এক বিবৃতিতে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
রাবাতে অনুষ্ঠিত রোমাঞ্চকর এই ফাইনালের নির্ধারিত সময়ের শেষ মুহূর্তে বিতর্কের শুরু হয়। অতিরিক্ত সময়ে সেনেগালের একটি গোল ফাউলের কারণে বাতিল করে দেন রেফারি।
এর কিছুক্ষণ পরই ভিএআর দেখে মরক্কোর পক্ষে বিতর্কিত পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সেনেগালের অধিকাংশ খেলোয়াড় মাঠ ছেড়ে বাইরে চলে যান, যার ফলে ম্যাচটি প্রায় ১৫ মিনিট বন্ধ থাকে। একই সময়ে গ্যালারিতে সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতি এবং মাঠে দর্শকদের প্রবেশের চেষ্টার ফলে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
খেলোয়াড়দের মাঠ ছেড়ে যাওয়াকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ উল্লেখ করে ফিফা সভাপতি তার ইনস্টাগ্রামে লেখেন, ‘ফুটবল মাঠে এমন আচরণ সহ্য করা হবে না।
রেফারি ও ম্যাচ অফিসিয়ালদের সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান জানানো খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের দায়িত্ব। এই ধরনের ঘটনা ফুটবলের মূল সত্ত্বাকেই ঝুঁকির মুখে ফেলে দেয়।’ তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, আফ্রিকান ফুটবল কনফেডারেশন (সিএএফ) এই বিষয়ে যথাযথ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে।
দীর্ঘ সময় খেলা বন্ধ থাকার পর মরক্কোর তারকা ব্রাহিম দিয়াজ পেনাল্টি কিক নিতে এলে সেনেগাল গোলরক্ষক এদুয়ার মেন্ডি সেটি ঠেকিয়ে দেন।
শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত সময়ে পাপে গেয়ে’র গোলে সেনেগাল ১-০ ব্যবধানে শিরোপা জয় করে। তবে মরক্কো ফুটবল ফেডারেশন দাবি করেছে, দীর্ঘ বিলম্ব ম্যাচের স্বাভাবিক গতি এবং তাদের খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। তারা এই বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে।
আফ্রিকান ফুটবল কনফেডারেশন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা ম্যাচের সব ফুটেজ পর্যালোচনা করছে এবং শৃঙ্খলা ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার মধ্যেও দুই দেশের জন্য ফিফা র্যাংকিংয়ে এসেছে সুখবর।
সোমবার প্রকাশিত তালিকায় মরক্কো ইতিহাসে প্রথমবারের মতো অষ্টম স্থানে উঠে এসেছে এবং চ্যাম্পিয়ন সেনেগাল সাত ধাপ এগিয়ে পৌঁছেছে ১২তম স্থানে।