রিটার্নিং কর্মকর্তাদের পাঠানো তথ্য একীভূত করে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বীর তালিকা বিশ্লেষণ করে এমন তথ্য মিলেছে।
পিরোজপুর-১ আসনে দুজন প্রার্থী রয়েছেন। এদের একজন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মাসুদ সাঈদী, অন্যজন বিএনপির আলমগীর হোসেন।
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জামায়াতের দেলোয়ার হোসেন ও ইসলামী আন্দোলনের মো. খাদেমুল ইসলাম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। জয়পুরহাট-২ আসনে বিএনপির আব্দুল বারী, জামায়াতের রাশেদুল ইসলাম ও স্বতন্ত্র গোলাম মোস্তফা রয়েছেন।
এছাড়া নওগাঁ-২, মেহেরপুর-২, চুয়াডাঙ্গা-১ ও ২, খুলনা-২, টাঙ্গাইল-৬, নেত্রকোনা-৪, ঢাকা-২, সুনামগঞ্জ-১ ও ২, চট্টগ্রাম-১৫, আসনেও রয়েছে তিনজন করে প্রার্থী। এসব আসনের প্রার্থীরা তুলনামূলক কম প্রতিযোগিতায় পড়ছেন। হেভিওয়েটদের প্রতিদ্বন্দ্বী:
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ঢাকা-১৭ আসনে ১০ জন ও বগুড়া-৬ আসনে চারজনের সঙ্গে লড়তে হবে। জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের ঢাকা-১৫ আসনে সাতজনের সঙ্গে লড়তে হবে।
এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে ঢাকা-১১ আসনে আটজনের সঙ্গে, স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারাকে ঢাকা-৯ আসনে ১১ জনের সঙ্গে, বিএনপির আব্দুল আউয়াল মিন্টুকে ফেনী-৩ আসনে সাতজনের সঙ্গে, এনসিপির হাসনাত আব্দুল্লাহকে কুমিল্লা-৪ আসনে চারজনের সঙ্গে, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে ঢাকা-৮ আসনে বিএনপির মির্জা আব্বাসসহ ১০ জনের সঙ্গে লড়তে হবে। ইসির তালিকা পর্যালোচনায় জানা গেছে, ৩১টি আসনে প্রার্থী ১০ বা ততোধিক। প্রার্থী বেশি হওয়ায় ভোটারদের কাছে তাদের দৌড়াতেও হবে বেশি। ঢাকা-১২ আসনে এবার সর্বোচ্চ ১৫ জন প্রতিদ্বন্দ্বী রয়েছে। আর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রার্থী রয়েছে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে ১৩ জন।
দুই প্রার্থী নিয়ে সবশেষে রয়েছে পিরোজপুর-১। এদিকে খুলনা-১, ঢাকা-৯, ঢাকা-১৪, গাজীপুর-২ আসনে রয়েছে ১২ জন করে। ১১ জন করে প্রতিদ্বন্দ্বী রয়েছেন ঢাকা-৫ আসনে, ঢাকা-৭, ঢাকা-১১, ঢাকা-১৬, ঢাকা-১৭, নারায়ণগঞ্জ-৩, গোপালগঞ্জ-২, ফেনী-২, নোয়াখালী-৫, খাগড়াছড়িতে।
১০ জন করে প্রতিদ্বন্দ্বী রয়েছেন ঠাকুরগাঁও-৩, রংপুর-৫, গাইবান্ধা-৩, খুলনা-৩, টাঙ্গাইল-৪, ঢাকা-১৮, নরসিংদী-৫, নারায়ণগঞ্জ-৫, মাদারীপুর-১, মাদারীপুর-২, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬, কুমিল্লা-৫, নোয়াখালী-৬, চট্টগ্রাম-৯, চট্টগ্রাম-১১ আসনে।
মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষদিনে এসে মোট ৩০৫ জনকে প্রত্যাহার করায় ২৯৮ আসনে (পাবনা-১ ও ২ ব্যতীত) মোট প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯৬৭ জন। বুধবার (২১ জানুয়ারি) প্রতিদ্বন্দ্বীদের প্রতীক বরাদ্দ হবে। ২২ জানুয়ারি থেকে প্রচারণা শুরু হয়ে চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আর ভোটগ্রহণ ১২ ফেব্রুয়ারি।