আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) ধর্ম মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবুবকর সিদ্দীক এসব তথ্য জানান। তিনি জানিয়েছেন, গত সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সরকার এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করেছে। জাতীয় খতিব ফাউন্ডেশনের দীর্ঘদিনের দাবি বাস্তবায়নে খতিব-ইমাম-মুয়াজ্জিনদের বেতন বৈষম্য দূর করতে এই নীতিমালা চূড়ান্ত করেছে সরকার। ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রকাশিত সরকারি গেজেটে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ এর আওতায় বিভিন্ন গ্রেডে অন্তর্ভুক্ত করে একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা চূড়ান্ত করা হয়েছে; যার পরিপ্রেক্ষিতের সরকার এই বেতন স্কেল ধার্য করেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় খতিব পরিষদের সভাপতি মুফতি মাওলানা শামীম মজুমদার।
নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, মসজিদের পদভিত্তিক গ্রেডগুলো নির্ধারণ করা হয়েছে অত্যন্ত সম্মানজনকভাবে। গেজেট অনুযায়ী নির্ধারিত গ্রেডগুলো– সিনিয়র পেশ ইমাম: পঞ্চম গ্রেড; পেশ ইমাম: ষষ্ঠ গ্রেড; ইমাম: নবম গ্রেড; মুয়াজ্জিন ও প্রধান মুয়াজ্জিন দশম এবং সাধারণ মুয়াজ্জিন ১১ তম গ্রেড। খাদেম ও প্রধান খাদেম ১৫তম এবং সাধারণ খাদিম ১৬তম গ্রেড। অন্যান্য কর্মী, নিরাপত্তা প্রহরী ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য ২০তম গ্রেড। তবে খতিবদের বিষয়টি কিছুটা ভিন্ন রাখা হয়েছে। তাদের সম্মানী বা বেতন নির্ধারিত হবে সংশ্লিষ্ট মসজিদ কমিটির সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তির শর্তানুযায়ী।
নীতিমালায় আচরণবিধি ও নৈতিক নির্দেশনায় মসজিদের জনবলের জন্য কিছু কঠোর আচরণবিধি যুক্ত করা হয়েছে। গেজেটে উল্লেখ করা হয়েছে–
মসজিদের কোনও জনবল কোনও রাজনৈতিক দলের সক্রিয় কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন না। ইমাম ও খতিবদের মুসল্লি ও এলাকাবাসীর নৈতিক মানোন্নয়নে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা বা কর্মস্থল ত্যাগ করা শৃঙ্খলা পরিপন্থি কাজ হিসেবে গণ্য হবে।