• দেশজুড়ে
  • চট্টগ্রামে ভোটের মাঠে ১১৩ প্রার্থী

চট্টগ্রামে ভোটের মাঠে ১১৩ প্রার্থী

দেশজুড়ে ১ মিনিট পড়া
চট্টগ্রামে ভোটের মাঠে ১১৩ প্রার্থী

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) থেকে শুরু হয়েছে ভোটের প্রচারণা।

চট্টগ্রামে বিএনপি, জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ ২৫টি রাজনৈতিক দলের ১১৩ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণা শুরু করেছেন তারা।

এরই মধ্যে জেলার ১৬টি সংসদীয় আসনে ভোটের প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ইতিমধ্যে মনোনয়নপত্র জমা, বাছাই, মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল এবং প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়ে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টা পর্যন্ত চলবে প্রচারণা। ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৬টি আসনে ১ হাজার ৯৬৫টি কেন্দ্রের ১২ হাজার ৩৯৮টি কক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এসব আসনে মোট ভোটার ৬৬ লাখ ৮৪ হাজার ৬৩০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৩৪ লাখ ৮৪ হাজার ৮৩৯, নারী ভোটার ৩১ লাখ ৯৯ হাজার ৭২২ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ৬৯ জন।

আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে আইনি ব্যবস্থা

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, ‘প্রতীক বরাদ্দ পাওয়া সব প্রার্থীকে নির্বাচনি আচরণবিধি মেনে চলতে হবে। আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে কোনও ধরনের পোস্টার ব্যবহার করা যাবে না। লিফলেট বিতরণ করা যাবে। তবে তার নির্দিষ্ট আকার কী হবে এবং সেখানে কার ছবি থাকবে; এসব বিষয় আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কোন সময় থেকে কোন সময় পর্যন্ত মাইকিং করা যাবে এবং কয়টি মাইক ব্যবহার করা যাবে, তাও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। কোনও ধরনের শোডাউন করা যাবে না। হোক তা মোটরসাইকেল, মাইক্রোবাস, ট্রাক, বাস কিংবা লঞ্চ। এসব নির্দেশনা লঙ্ঘন করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

চট্টগ্রামের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘নির্বাচন করার জন্য ১৪৩ জন মনোনয়নপত্র জমা দেন। এর মধ্যে ১ থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত মনোনয়নপত্র বাছাই কার্যক্রমে ৪১ জনের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়। বৈধ ঘোষণা করা হয় ১০২ জনকে। পরবর্তীতে নির্বাচন কমিশনে আপিল করে আরও ১১ জন প্রার্থিতা ফিরে পান। সবমিলিয়ে ১৬টি আসনে ১১৩ জন প্রার্থী।’

চট্টগ্রাম-১ আসনে লড়ছেন সাত প্রার্থী

আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম-১ (মীরসরাই) আসনে সাত প্রার্থী ভোটে লড়ছেন। তারা হলেন- জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ ছাইফুর রহমান, বিএনপির নুরুল আমিন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) এ কে এম আবু ইউছুপ, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের রেজাউল করিম, ইসলামী আন্দোলনের ফেরদৌস আহমদ চৌধুরী, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী ও জাতীয় পার্টির সৈয়দ শাহাদাৎ হোসেন।

এই আসনে ভোটার ৩ লাখ ৮৬ হাজার ৬০৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৯৯ হাজার ৮১১, নারী ১ লাখ ৮৬ হাজার ৭৯০ এবং তৃতীয় লিঙ্গ ও হিজড়া ভোটার চার জন। ১০৬টি কেন্দ্রের ৭১৮টি কক্ষে ভোটগ্রহণ হবে। অস্থায়ী ভোট কক্ষ ৪৮টি।

চট্টগ্রাম-২ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সাত প্রার্থী

চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে সাত জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ নুরুল আমিন, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির দুই প্রার্থী শাহজাদা সৈয়দ সাইফুদ্দিন আহমদ ও মো. ওসমান আলী, জনতার দলের মোহাম্মদ গোলাম নওশের আলী, স্বতন্ত্র প্রার্থী আহমদ কবির ও জিন্নাত আকতার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মোহাম্মদ জুলফিকার আলী মান্নান।

মনোনয়নপত্র বাতিল করে ইসির ১৮ জানুয়ারি দেওয়া সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের করা রিটের ওপর মঙ্গলবার শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট বৃহস্পতিবার আদেশের জন্য দিন ধার্য করেছেন।

এর আগে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা সারোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বৈধ ঘোষণা করেছিলেন। তবে তার বিরুদ্ধে ঋণ খেলাপির অভিযোগে ইসিতে আপিল দায়ের করা হয়েছিল। জামায়াতের প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমিন অভিযোগটি করেছিলেন। শুনানি নিয়ে ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন সারোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বৈধতার বিরুদ্ধে করা আপিল মঞ্জুর করে। তার প্রার্থিতা বাতিল হয়। এর বৈধতা নিয়ে প্রার্থিতা ফিরে পেতে সারোয়ার আলমগীর সোমবার হাইকোর্টে রিটটি করেন।

আসনটিতে ভোটার ৪ লাখ ৮৮ হাজার ৪৫৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৫৯ হাজার ১৯৩, নারী ২ লাখ ২৯ হাজার ২৫৯ এবং তৃতীয় লিঙ্গের একজন। ১৪২টি কেন্দ্রের ৯০২টি কক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। অস্থায়ী ভোট কক্ষ আছে ৮৯টি।

চট্টগ্রাম-৩ আসনে চার প্রার্থী

চট্টগ্রাম-৩ আসনে চার প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- জামায়াতের মুহাম্মদ আলাউদ্দীন, বিএনপির মোস্তফা কামাল পাশা, ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মোয়াহেদুল মাওলা।

আসনটিতে ভোটার ২ লাখ ৬০ হাজার ৪৮৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৩৪ হাজার ৭২৭, নারী ১ লাখ ২৫ হাজার ৭৫৪ এবং হিজড়া দুজন। ৮৩টি কেন্দ্রের ৪৮৭টি কক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। অস্থায়ী ভোট কক্ষ আছে ৬১টি।

চট্টগ্রাম-৪ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৯ জন

চট্টগ্রাম-৪ আসনে নয় জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- বিএনপির আসলাম চৌধুরী, জামায়াতের মো. আনোয়ার ছিদ্দিক, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির মো. মছিউদদৌলা, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মো. জাকারিয়া খালেদ, গণসংহতি আন্দোলনের জাহিদুল আলম, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির মো. শহীদুল ইসলাম চৌধুরী, ইসলামী আন্দোলনের মো. দিদারুল মাওলা, গণঅধিকার পরিষদের এ টি এম পারভেজ ও বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মো. সিরাজুদ্দৌলা।

আসনটিতে ভোটার ৪ লাখ ৪৮ হাজার ৩৭৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৩৫ হাজার ৩৫০, নারী ভোটার ২ লাখ ১৩ হাজার ১৫ এবং হিজড়া ১১ জন। ১২৪টি কেন্দ্রের ৭৮৮টি কক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। অস্থায়ী ভোট কক্ষ আছে ৫০টি।

চট্টগ্রাম-৫ আসনে আছেন ছয় প্রার্থী

চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসনে ছয় প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. নাসির উদ্দীন, বিএনপির মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, ইসলামী আন্দোলনের মতি উল্লাহ নূরী, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ মোক্তার আহমেদ ও বাংলাদেশ লেবার পার্টির প্রার্থী মো. আলাউদ্দিন।

চট্টগ্রামের ১৬টি আসনের মধ্যে ১৪টিতে প্রার্থী দিয়েছে জামায়াত। নির্বাচনি সমঝোতার অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম-৫ ও চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) আসনে প্রার্থী দেয়নি দলটি।

চট্টগ্রাম-৫ আসনে ভোটার ৫ লাখ ৩৫ হাজার ৩০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৬২ হাজার ৮০৬, নারী ২ লাখ ৪০ হাজার ৭২৩ এবং হিজড়া ভোটার একজন। ১৪২টি কেন্দ্রের ৯৩৯টি কক্ষে ভোটগ্রহণ হবে। অস্থায়ী ভোট কক্ষ আছে ৮৭টি।

চট্টগ্রাম-৬ আসনে চার জন লড়ছেন

চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে চার জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- বিএনপির গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, জামায়াতের মো. শাহাজাহান মঞ্জু, গণসংহতি আন্দোলনের নাছির উদ্দীন তালুকদার ও ইসলামী ফ্রন্টের মোহাম্মদ ইলিয়াছ নূরী।

আসনটিতে ভোটার ৩ লাখ ৩৯ হাজার ৯৮৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৭৮ হাজার ৯৭১, নারী ১ লাখ ৬১ হাজার ১৭। ৯৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ৬৭৩টি কক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এই আসনে অস্থায়ী ভোট কক্ষ আছে ২৮টি।

চট্টগ্রাম-৭ আসনে আট জন প্রার্থী

চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনে আট জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- বিএনপির হুম্মাম কাদের চৌধুরী, জামায়াতের এ টি এম রেজাউল করিম, জাতীয় পার্টির (জেপি) মো. মেহেদী রাসেদ, ইসলামী আন্দোলনের আবদুল্লাহ আল হারুন, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মুহাম্মদ ইকবাল হাছান, কমিউনিস্ট পার্টির প্রমোদ বরণ বড়ুয়া, এবি পার্টির মো. আবদুর রহমান ও গণঅধিকার পরিষদের বেলাল উদ্দীন।

এখানে মোট ভোটার ৩ লাখ ১৮ হাজার ৫১৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৬৭ হাজার ৩০৬, নারী ১ লাখ ৫১ হাজার ২০৬ এবং হিজড়া একজন। ৯২টি কেন্দ্রের ৬১৪টি কক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। অস্থায়ী ভোট কক্ষ আছে ৫৩টি।

চট্টগ্রাম-৮ আসনে ছয় প্রার্থী

চট্টগ্রাম-৮ (চান্দগাঁও-বোয়ালখালী) আসনে ছয় প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- বিএনপির এরশাদ উল্লাহ, এনসিপির মো. জোবাইরুল হাসান আরিফ, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মোহাম্মদ এমদাদুল হক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ নুরুল আলম, জামায়াতে ইসলামীর মো. আবু নাছের ও বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সৈয়্যদ মুহাম্মদ হাসান। তবে বুধবার প্রতীক বরাদ্দের পর জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রার্থী মো. জুবাইরুল হাসান আরিফকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন জামায়াতের প্রার্থী আবু নাছের।

এই আসনে ভোটার ৫ লাখ ৫৪ হাজার ৭২৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৮২ হাজার ৬০৭, নারী ২ লাখ ৭২ হাজার ১২১ জন এবং হিজড়া ভোটার একজন। ১৭৯টি কেন্দ্রের ১ হাজার ১৩টি কক্ষে ভোটগ্রহণ হবে। অস্থায়ী ভোট কক্ষ ২৮টি।

চট্টগ্রাম-৯ আসনে লড়ছেন নয় প্রার্থী

চট্টগ্রাম-৯ (পাঁচলাইশ-বাকলিয়া-কোতোয়ালি) আসনে নয় জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- জামায়াতে ইসলামীর ডা. এ কে এম ফজলুল হক, বিএনপির মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের আবদুল মোমেন চৌধুরী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আব্দুস শুক্কুর, ইসলামিক ফন্ট বাংলাদেশের মুহাম্মদ ওয়াহেদ মুরাদ, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মোহাম্মদ নঈম উদ্দীন, নাগরিক ঐক্যের মো. নুরুল আবছার মজুমদার, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) মো. শফি উদ্দিন কবির, জনতার দলের মো. হায়দার আলী চৌধুরী ও গণসংহতি আন্দোলনের সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মারুফ।

এখানে মোট ভোটার ৪ লাখ ১৬ হাজার ৪৬৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ১৩ হাজার ৯০৮ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ২৫ হাজার ৪৬ জন এবং হিজড়া ভোটার নয় জন। ১২১টি কেন্দ্রের ৭৬০টি কক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। অস্থায়ী ভোট কক্ষ আছে ৬৫টি।

চট্টগ্রাম-১০ আসনেও আছেন নয় প্রার্থী

চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং-পাহাড়তলী-আকবরশাহ) আসনে নয় জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- জামায়াতের মুহাম্মদ শামসুজ্জামান হেলালী, বিএনপির সাঈদ আল নোমান, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) আসমা আকতার, জাতীয় পার্টির মুহাম্মদ এমদাদ হোসাইন চৌধুরী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুহাম্মদ জান্নাতুল ইসলাম, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আরমান আলী, বাংলাদেশ লেবার পার্টির মো. ওসমান গনি, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মো. লিয়াকত আলী ও ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের সাবিনা খাতুন।

আসনটিতে ভোটার ৪ লাখ ৯২ হাজার ৪৪৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৪৯ হাজার ৭৮০, নারী ২ লাখ ৪২ হাজার ৬৩৪ এবং হিজড়া ভোটার ২৯ জন। ১৩৯টি কেন্দ্রের ৯২১টি কক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। অস্থায়ী ভোট কক্ষ আছে ৯৩টি।

চট্টগ্রাম-১১ আসনে ১১ জন

চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনে ১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- বিএনপির আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ শফিউল আলম, জাতীয় পার্টির আবু তাহের, গণফোরামের উজ্জল ভৌমিক, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) দীপা মজুমদার, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মুহাম্মদ আবু তাহের, গণঅধিকার পরিষদের মুহাম্মদ নেজাম উদ্দীন, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর ভূঁইয়া, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মো. আজিজ মিয়া, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের মো. নিজামুল হক আল কাদেরী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. নুর উদ্দিন।

এখানে মোট ভোটার ৪ লাখ ৯৫ হাজার ২৭৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৫২ হাজার ৩৩২, নারী ২ লাখ ৪২ হাজার ৯৪৩ এবং হিজড়া ভোটার তিন জন। ১৪৩টি কেন্দ্রের ৮৯৩টি কক্ষে ভোটগ্রহণ হবে। অস্থায়ী ভোট কক্ষ আছে ৪৯টি।

চট্টগ্রাম-১২ আসনে সাত প্রার্থী লড়ছেন

চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে সাত প্রার্থী লড়ছেন। তারা হলেন- বিএনপির মোহাম্মদ এনামুল হক, জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ ফরিদুল আলম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এস এম বেলাল নুর, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের ছৈয়দ এয়ার মোহাম্মদ পেয়ারু, জাতীয় পার্টির ফরিদ আহম্মদ চৌধুরী, স্বতন্ত্র মুহাম্মদ শাখাওয়াত হোসাইন ও ইনসানিয়াত বিপ্লবের মোহাম্মদ আবু তালেব হেলালী।

এখানে মোট ভোটার ৩ লাখ ৫৩ হাজার ১৯৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৮৪ হাজার ৩৫২, নারী ১ লাখ ৬৮ হাজার ৮৪২ এবং হিজড়া একজন। ১১৩টি কেন্দ্রের ৬৯১টি কক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। অস্থায়ী ভোট কক্ষ আছে ২৪টি।

চট্টগ্রাম-১৩ আসনে সাত প্রার্থী

চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনে সাত প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- বিএনপির সরওয়ার জামাল নিজাম, জামায়াতের মাহমুদুল হাসান, জাতীয় পার্টির প্রার্থী আবদুর রব চৌধুরী, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের এস এম শাহজাহান, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের রেজাউল মোস্তফা, এনডিএমের মোহাম্মদ এমরান ও গণঅধিকার পরিষদের মো. মুজিবুর রহমান চৌং।

আসনটিতে মোট ভোটার ৩ লাখ ৯৪ হাজার ৯৫০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৬ হাজার ৯৭৯, নারী ১ লাখ ৮৭ হাজার ৯৭৯ জন। ১১৮টি কেন্দ্রের ৭৬১টি কক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এই আসনে অস্থায়ী ভোট কক্ষ আছে ৪৩টি।

চট্টগ্রাম-১৪ আসনে আট প্রার্থী লড়ছেন

চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ) আসনে আট প্রার্থী লড়ছেন। তারা হলেন- এলডিপির ওমর ফারুক, বিএনপির জসীম উদ্দীন আহমেদ, ইনসানিয়াত বিপ্লবের এইচএম ইলিয়াছ, ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ আবদুল হামিদ, জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ বাদশা মিয়া, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মো. সোলাইমান, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ মিজানুল হক চৌধুরী ও শফিকুল ইসলাম রাহী।

আসনটিতে ভোটার ৩ লাখ ১৩ হাজার ৪৩১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৬৫ হাজার ৭৬৩, নারী ১ লাখ ৪৭ হাজার ৬৬৭ জন এবং হিজড়া একজন। ১০০টি কেন্দ্রের ৫৭৫টি কক্ষে ভোটগ্রহণ হবে। অস্থায়ী ভোট কক্ষ আছে ৪৩টি।

চট্টগ্রাম-১৫ আসনে লড়ছেন তিন প্রার্থী

চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনে তিন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- জামায়াতের শাহজাহান চৌধুরী, বিএনপির নাজমুল মোস্তফা আমীন ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শরীফুল আলম চৌধুরী।

আসনটিতে ভোটার ৫ লাখ ৬২ হাজার ৫৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৭০ হাজার ৯১৬, নারী ২ লাখ ৩৫ হাজার ৩৪৩ জন। ১৫৭টি কেন্দ্রের মধ্যে ৯৪৩টি কক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এখানে অস্থায়ী ভোট কক্ষ আছে ২৭টি।

চট্টগ্রাম-১৬ আসনে লড়ছেন সাত জন

চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনে সাত জন লড়ছেন। তারা হলেন- জামায়াতের মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, বিএনপির মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের আবদুল মালেক, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের এহছানুল হক, স্বতন্ত্র মোহাম্মদ লেয়াকত আলী, গণঅধিকার পরিষদের মো. আরিফুল হক এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাফেজ মোহাম্মদ রুহুল্লাহ।

এখানে মোট ভোটার ৪ লাখ ১১ হাজার ৯৩৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ২০ হাজার ৩৮, নারী ২ লাখ ৯১ হাজার ৮৯১ জন এবং হিজড়া ভোটার পাঁচ জন। ১১২টি কেন্দ্রের ৭২০টি কক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। অস্থায়ী ভোট কক্ষ ৬৬টি।

Tags: ভোট চট্টগ্রাম প্রার্থী মাঠ