আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকালে সিআইডি সদর দফতরে আয়োজিত ত্রৈমাসিক অপরাধ পর্যালোচনা ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব তথ্য জানান।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, অতীতের নির্বাচনে প্রতিটি কেন্দ্রে মাত্র একজন অস্ত্রধারী পুলিশ থাকলেও এবার বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে কমপক্ষে ৫ জন অস্ত্রধারী সদস্য (২ জন পুলিশ ও ৩ জন আনসার) থাকবেন। গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত ভোটকেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হবে। এসব কেন্দ্রে মোট ৬ জন অস্ত্রধারী সদস্য (৩ জন পুলিশ ও ৩ জন আনসার) নিয়োজিত থাকবেন। পাশাপাশি প্রতিটি কেন্দ্রে লাঠিসহ ১০ জন আনসার সদস্যের পাশাপাশি বিএনসিসি ও গার্লস গাইডের স্বেচ্ছাসেবকরা শৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করবেন।
নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এমন থাকবে যে ব্যালট বাক্স ছিনতাই করা সম্ভব নয় বলেও জানিয়ে তিনি বলেন, “জাতীয় সংসদ নির্বাচন একটি রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। এটি শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিটি সদস্যকে সর্বোচ্চ সততা, শৃঙ্খলা ও পেশাদার আচরণ নিশ্চিত করতে হবে।”
নির্বাচন-পূর্ববর্তী সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ও মিথ্যাচার ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করে উপদেষ্টা সিআইডিকে সাইবার মনিটরিং জোরদার করার নির্দেশ দেন।
তিনি বলেন, “আসন্ন জাতীয় নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বাধিক অবাধ, স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর নির্বাচন হিসেবে অনুষ্ঠিত হবে, যা ভবিষ্যতের জন্য একটি রোল মডেল হয়ে থাকবে।”
সিআইডি প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মো. ছিবগাত উল্লাহর সভাপতিত্বে সভায় জানানো হয়, সিআইডির মোট জনবলের প্রায় ৯০ শতাংশ এই নির্বাচনে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করবে। বিশেষ করে সাইবার ইউনিট অনলাইনে গুজব শনাক্ত ও প্রতিরোধে ২৪ ঘণ্টা সক্রিয় থাকবে।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইজিপি বাহারুল আলম। অনুষ্ঠান শেষে সিআইডির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কৃতিত্বপূর্ণ কাজের জন্য পুরস্কার প্রদান করেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।