আমি নির্বাচিত যদি হই, পাঁচটা বছর আপনারা আমাকে সময় দেন, আমি যদি দৃশ্যমান পরিবর্তন করতে পারি, তারপরে আমি আপনাদের কাছে আসবো আরেকবার ভোট চাইতে। আর যদি না পারি আর কোনোদিনই আপনাদের দরজায় ভোট চাইতে আসবো না। আমার সঙ্গে আপনাদের দেখা হবে হাঁস মার্কার বিজয়ে।’
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় তার নিজ নির্বাচনি এলাকা ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার প্রত্যন্ত পল্লী পরমানন্দপুরে স্থানীয় এলাকাবাসী আয়োজনে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
রুমিন ফারহানা বলেন, ‘স্বাধীনতার দীর্ঘ ৫৫ বছর পার হয়ে গেছে, কিন্তু আমাদের এই এলাকা উন্নয়নের মুখ দেখেনি। আপনারা আমাকে একটিবার সুযোগ দেন, দেখুন আমি আপনাদের জন্য কী করি। কারণ হাঁস হলো সমৃদ্ধির প্রতীক সৌভাগ্যের এবং প্রতীক। এবারে ভোটটা এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে তিনি হাঁস মার্কায় চান।’
স্বতন্ত্র এ প্রার্থী বলেন, ‘আমার এলাকার যে ভাইয়েরা বিদেশে থাকে তাদের পাঠানো টাকায় বাংলাদেশের অর্থনীতি চলে। তারা শুধু যে নিজের বাবা-মা ভাই বোন, নিজের সংসার চালায় তাই না। তারা ভাইয়ের সংসার ও চালায়। বোনের সংসার চালায়। আমি যদি এমপি নির্বাচিত হতে পারি, আমার এই ভাইদের জন্য আমি ট্রেনিং সেন্টারের ব্যবস্থা করবো। তারা যেন প্রশিক্ষণ নিয়ে বিদেশে গিয়ে বেশি টাকার উপকার করতে পারে।’
রুমিন বলেন, ‘সরাইল-আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের দুটি ইউনিয়ন নিয়ে আমার আসন। আমার বাবা এই আসন থেকে নির্বাচন করেছিলেন ১৯৭৩ সালে। আমার বাবা নির্বাচিত হয়েছিলেন। কিন্তু তাকে কাজ করতে দেওয়া হয় নাই। আপনাদের কাছে আমার অনুরোধ থাকবে আগামীর ১১ ফেব্রুয়ারি বিকাল থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত আপনারা সতর্ক ও সজাগ থাকবেন, কেউ যেন ভোট চুরি করতে না পারে। আপনারা প্রত্যেকে যার যার কেন্দ্রের পাহারায় থাকবেন। আপনার একটা ভোট আপনার ভবিষ্যৎ, পরিবারের ভবিষ্যৎ, এলাকার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। সুতরাং এত বছর পর নিজের পছন্দের প্রতিনিধি নির্বাচনের যে সুযোগ এসেছে, এই সুযোগকে আপনারা কোনোভাবেই হেলায় হারাবেন না।’