• মতামত
  • তামাকের চাষে কৃষি স্বাস্থ্য খাতে ক্ষতি সরকারের রাজস্ব আদায়ে তামাক শিল্প

তামাকের চাষে কৃষি স্বাস্থ্য খাতে ক্ষতি সরকারের রাজস্ব আদায়ে তামাক শিল্প

মতামত ১ মিনিট পড়া
তামাকের চাষে কৃষি স্বাস্থ্য খাতে  ক্ষতি   সরকারের রাজস্ব আদায়ে তামাক শিল্প

মুহাম্মদ রাশেদ খান ব‍্যবস্থাপনা পরিচালক মডার্ণ স্ট্রাকচার্স লিমিটেড

তামাক খাত থেকে সরকার যে পরিমাণ রাজস্ব পায়, তামাক ব্যবহার ও উৎপাদনের ফলে সৃষ্ট আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ তার দ্বিগুণের বেশি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, গত বছর তামাকজনিত এই ক্ষতির পরিমাণ ছিল প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা। অথচ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তামাক কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে সরকার রাজস্ব পেয়েছে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা।

বাংলাদেশে তামাক শিল্প একদিকে যেমন সরকারের রাজস্ব বাড়াচ্ছে (প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা), তেমনি জনস্বাস্থ্য ও কৃষিতে এর ক্ষতি বিশাল (প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা), যা রাজস্বের দ্বিগুণেরও বেশি; তামাক চাষে মাটি ও পরিবেশের অবক্ষয় হয়, কৃষকদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়ে, অথচ কোম্পানিগুলোর আর্থিক প্রলোভনে কৃষকরা এতে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে দেশের কৃষি ও অর্থনীতির জন্য বড় হুমকি, তাই তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন জোরদার করা জরুরি।

বাংলাদেশে তামাক ব্যবহারের কারণে স্বাস্থ্য, পরিবেশ ও উৎপাদনশীলতার যে অর্থনৈতিক ক্ষতি ঘটে, তার পরিমাণের ওপর গবেষণা করেছে ইকোনমিকস ফর হেলথ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব হেলথ ইকোনমিকস।

গবেষণা অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশে তামাক ব্যবহারের কারণে স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ক্ষতি প্রায় ৮৭ হাজার ৫৪৪ কোটি টাকা। আর সরকার তামাকজাত পণ্য থেকে রাজস্ব পেয়েছে ৪১ হাজার কোটি টাকা। গবেষণায় পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, স্বাস্থ্যক্ষেত্রেই তামাকের কারণে হওয়া ক্ষতি সবচেয়ে বেশি। এই ক্ষতির পরিমাণ ৭৩ হাজার কোটি টাকা। তামাকের কারণে পরিবেশ সম্পর্কিত ক্ষতিও কম নয়। বন উজাড়, ভূমিক্ষয়, অগ্নিকাণ্ড, সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রের ক্ষতিসহ বিভিন্ন পরিবেশগত ঝুঁকির কারণে আর্থিক ক্ষতি মোট ক্ষতির প্রায় ১৬ শতাংশ। এখন দেশে এক-তৃতীয়াংশের বেশি প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি তামাক ব্যবহার করেন। তামাকের প্রভাব শুধু স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে না, বরং সামগ্রিক অর্থনীতি ও সমাজের ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করছে।

বিদ্যালয়ের কাছেই মিলছে বিড়ি–সিগারেট

চলতি বছরের ৪ থেক ১৩ নভেম্বর তামাকজাত পণ্যের বিক্রি নিয়ে মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ করে পিপিআরসি। এই গবেষণা করতে গিয়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও খুলনা—এই ৪ বিভাগের মোট ১২১টি বিদ্যালয়ের ১০০ মিটারের আশপাশের তামাকজাত পণ্য বিক্রি হওয়ার স্থানগুলো পর্যবেক্ষণ করেছে তারা। এর মধ্যে শহর ও গ্রাম—উভয় এলাকার বিদ্যালয় ছিল। প্রতিটি বিদ্যালয়ের আশপাশের ১০০ মিটারের মধ্যে গড়ে ৫ দশমিক ৫টি তামাকজাত পণ্যের বিক্রয়কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে চায়ের দোকান, মুদিদোকান, ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতা ও অন্যান্য।

গবেষণায় উঠে এসেছে, তামাকজাত পণ্যের মধ্যে ৯৯ দশমিক ১ শতাংশ বিক্রয়কেন্দ্রে সিগারেট বিক্রি হয়। গ্রামীণ এলাকায় ৪১ দশমিক ৪ শতাংশ বিক্রয়কেন্দ্রে বিড়ি পাওয়া যায়। এ ছাড়া গুল, জর্দার মতো ধোঁয়াবিহীন তামাক বিক্রি হয় গড়ে ৫২ শতাংশ বিক্রয়কেন্দ্রে।

তামাকজাত পণ্যের দৃশ্যমানতাও সমানভাবে উদ্বেগজনক। ১০টির মধ্যে ৭টি বিক্রয়কেন্দ্রে তামাকজাত পণ্য প্রদর্শন করা হয়। গ্রামের চেয়ে শহরে তামাকজাত পণ্যের দৃশ্যমানতার হার বেশি। শহরে এই হার ৭৩ দশমিক ১ শতাংশ আর গ্রামে ৬৭ দশমিক ২ শতাংশ। তামাকজাত পণ্য প্রদর্শনের হার চট্টগ্রাম বিভাগে সবচেয়ে বেশি ৮৮ দশমিক ৩ শতাংশ আর সর্বনিম্ন হার ঢাকা বিভাগে ৬২ দশমিক ২ শতাংশ।

গবেষণা প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, তামাক বিক্রেতারা শিশুদের মনোযোগ আকর্ষণে বিভিন্ন ধরনের বিশেষ কৌশল অবলম্বন করছে। ৮৮ শতাংশ তামাকজাত পণ্যের বিক্রয়কেন্দ্রে তামাকজাত পণ্য এমনভাবে রাখা হয়, যেন তা শিশুদের চোখের উচ্চতা বা সীমার মধ্যে থাকে। ৬৫ দশমিক ৬ শতাংশ বিক্রয়কেন্দ্রে ক্যান্ডি, বিস্কুট ও মিষ্টিজাতীয় পণ্যের পাশে তামাকজাত পণ্য রাখা হয়।

বিভাগভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, তামাকজাত পণ্যের বিজ্ঞাপনের হার সর্বোচ্চ ঢাকা বিভাগে ৭৬ দশমিক ৪ শতাংশ। চট্টগ্রাম বিভাগে এ হার ৬৭ দশমিক ২ শতাংশ, রাজশাহী বিভাগে ৭৩ দশমিক ৮ শতাংশ আর সর্বনিম্ন ৫২ শতাংশ খুলনা বিভাগে।

‎এ ছাড়া গবেষণায় এক শলাকা সিগারেট বিক্রির ব্যাপকতা দেখা গেছে। ৯৯ দশমিক ২ শতাংশ বিক্রয়কেন্দ্রে এক শলাকা সিগারেট বিক্রি হয়, যা তামাকের সহজলভ্যতা আরও বাড়ায়। খুলনা বিভাগে এই হার শতভাগ। একইভাবে বাজারে এখন বিভিন্ন স্বাদের সিগারেট পাওয়া যায়। এটিও স্কুলপড়ুয়াদের সিগারেটের প্রতি বিশেষভাবে আকৃষ্ট করে।

বাংলাদেশে তামাক চাষ এবং এর ব্যবহার জনস্বাস্থ্য, কৃষি এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। ২০২৬ সালের বর্তমান প্রেক্ষাপট ও সাম্প্রতিক গবেষণার আলোকে এর বিস্তারিত নিচে দেওয়া হলো:

কৃষি খাতে ক্ষতি

· মাটির উর্বরতা হ্রাস: তামাক চাষে প্রচুর সার ও কীটনাশক লাগে, যা মাটির গুণাগুণ নষ্ট করে এবং অন্যান্য ফসলের উৎপাদন কমিয়ে দেয়।

· পরিবেশগত অবক্ষয়: মাটি ও পানির দূষণ, বন উজাড় (শুকানোর জন্য), এবং জীববৈচিত্র্য হ্রাস পায়।

· অন্যান্য ফসলের ক্ষতি: তামাক চাষের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি হওয়ায় খাদ্যশস্যের উৎপাদন কমে যায়, যা খাদ্য নিরাপত্তাকে ঝুঁকিপূর্ণ করে।

জমির উর্বরতা হ্রাস: তামাক চাষে মাটি থেকে প্রচুর পরিমাণে নাইট্রোজেন, ফসফরাস এবং পটাশিয়াম শোষিত হয়, যা মাটির স্বাভাবিক উর্বরতা দ্রুত নষ্ট করে। খাদ্য নিরাপত্তা: রবি মৌসুমে শীতকালীন সবজি, ডাল, সরিষা ও গমের জমিতে তামাক চাষ হওয়ার ফলে খাদ্য উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে । বান্দরবানের থানচির মতো এলাকায় তামাকের জমি ২০২৫-২৬ নাগাদ ৩০ শতাংশে নামিয়ে আনার চেষ্টা চলছে। বন উজাড়: তামাক পাতা শুকানোর (curing) জন্য প্রচুর পরিমাণে কাঠ পোড়ানো হয়। বাংলাদেশে বার্ষিক বন উজাড়ের প্রায় ৩০ শতাংশই ঘটে তামাক চাষের কারণে।

জনস্বাস্থ্য খাতে ক্ষতি

তামাক ব্যবহারের ফলে সৃষ্ট স্বাস্থ্যঝুঁকি দেশের অর্থনীতির ওপর বড় বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে:

আর্থিক ক্ষতি: ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তামাক ব্যবহারের ফলে স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৮৭,৫৪৪ কোটি টাকা। · মৃত্যু ও রোগব্যাধি: বাংলাদেশে বছরে প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজারের বেশি মানুষ তামাকজনিত রোগে মারা যায়। এছাড়া তামাক চাষের সাথে যুক্ত কৃষকরা "গ্রিন টোব্যাকো সিকনেস" (GTS) সহ বিভিন্ন চর্ম ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগে আক্রান্ত হন।

·মারাত্মক রোগ: তামাক সেবনের ফলে হৃদরোগ, স্ট্রোক, ক্যান্সার (ফুসফুস, মুখ, অগ্ন্যাশয়), COPD, উচ্চ রক্তচাপসহ নানা জটিল রোগের ঝুঁকি বাড়ে।

· কৃষকদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি: তামাক চাষ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের সাথে জড়িত কৃষকরা সরাসরি তামাকের বিষাক্ততার কারণে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হন।

· জনস্বাস্থ্য ব্যয়: তামাকজনিত রোগের চিকিৎসার কারণে দেশের স্বাস্থ্যখাতে enormous ব্যয় হয়।

সরকারের রাজস্ব ও তামাক শিল্প

তামাক খাত থেকে সরকারের অর্জিত রাজস্বের চেয়ে তামাকের কারণে হওয়া ব্যয়ের পরিমাণ অনেক বেশি:

· রাজস্ব আয়: সরকার তামাক খাত থেকে প্রচুর রাজস্ব পায় (যেমন, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা), যা মোট রাজস্বের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ।

· প্রকৃত ব্যয়: এই রাজস্বের তুলনায় তামাকজনিত স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ক্ষতি অনেক বেশি (প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা), অর্থাৎ, তামাক শিল্প দেশের জন্য একটি নিট ক্ষতির কারণ।

· কোম্পানির প্রভাব: তামাক কোম্পানিগুলো কৃষকদের আর্থিক সহায়তা ও প্রণোদনার মাধ্যমে তামাক চাষে উৎসাহিত করে, যা সরকারের তামাক নিয়ন্ত্রণ নীতিকে দুর্বল করে।

· রাজস্ব বনাম ব্যয়: ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সরকার তামাক খাত থেকে প্রায় ৪০,০০০ কোটি টাকা রাজস্ব পেলেও তামাকজনিত স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ক্ষতির পরিমাণ ছিল এর দ্বিগুণের বেশি (প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা)।

· রাজস্ব ফাঁকি: তামাক কোম্পানিগুলোর জটিল কর কাঠামোর কারণে সরকার বছরে অন্তত ২০,০০০ কোটি টাকা অতিরিক্ত রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

· প্রস্তাবিত কর সংস্কার: ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে তামাকজাত পণ্যের কর বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে, যা কার্যকর হলে প্রায় ৬৮,০০০ কোটি টাকা রাজস্ব আহরণ সম্ভব হতে পারে।

সারাংশ:

তামাক শিল্প থেকে প্রাপ্ত রাজস্বের তুলনায় তামাকের কারণে কৃষি, পরিবেশ এবং স্বাস্থ্য খাতে যে আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে তা দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য একটি নিট লোকসান। তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বর্তমানে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

কঠোর নীতিগত পদক্ষেপ গ্রহণের সুপারিশ

গবেষকেরা তামাকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ এবং জনস্বাস্থ্য রক্ষায় বেশ কিছু কঠোর নীতিগত পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর জোর দিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে বিক্রয়কেন্দ্রে সব ধরনের তামাকের বিজ্ঞাপন ও প্রচারণামূলক সামগ্রীর ওপর পূর্ণাঙ্গ নিষেধাজ্ঞা জারি করা। স্বাদযুক্ত (ফ্লেভার্ড) সিগারেট এবং এক শলাকা বিক্রির ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা।

পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, ‘আজকের এই দুটি গবেষণার উদ্দেশ্য একটাই—তরুণ প্রজন্মকে তামাকের হাত থেকে কীভাবে দূরে রাখা যায় এবং সমাজকে কীভাবে তামাকমুক্ত করা যায়। আমরা বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে কাজ করে যাচ্ছি। আশা করি, এই গবেষণাগুলো পরবর্তী সময়ে আরও বড় পরিসরে গবেষণা করার দিগন্ত উন্মোচন করবে।’

হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, তামাক সমস্যা দীর্ঘমেয়াদি। এটি মোকাবিলায় ধারাবাহিক, প্রমাণভিত্তিক ও কৌশলগত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। যুব প্রজন্মকে সুরক্ষিত রাখা একটি জাতীয় দায়িত্ব। এ জন্য আইন সংস্কার এবং কার্যকর তামাক কর কাঠামো অপরিহার্য।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজের কমিউনিটি মেডিসিন অ্যান্ড পাবলিক হেলথ বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান শারমিন ইয়াসমিন, বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) সাবেক চেয়ারম্যান মো. মোস্তাফিজুর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব হেলথ ইকোনমিকসের প্রভাষক আশরাফুল কিবরিয়া, পিপিআরসির জ্যেষ্ঠ গবেষণা সহকারী মোহাম্মদ ইতেশাম হাসান প্রমুখ।

বিশ্ব অর্থনীতিতে তামাকের কারণে ক্ষতিরে পরিমাণ কতো? বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং বিভিন্ন গবেষণা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ব অর্থনীতিতে তামাকের কারণে ক্ষতির পরিমাণ বছরে প্রায় ১.৪ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার

সুপারিশ:

· তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন (যেমন, প্রকাশ্যে ধূমপান ও বিক্রয় নিয়ন্ত্রণ) কঠোরভাবে প্রয়োগ করা।

· কৃষকদের তামাক চাষ থেকে সরে আসতে বিকল্প ফসল ও প্রণোদনা দেওয়া।

· তামাকজাত পণ্যের ওপর কর বৃদ্ধি করা।

· জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও তরুণদের তামাকের আগ্রাসন থেকে রক্ষা করা।

Tags: পরিবেশ স্বাস্থ্য ক্ষতি তামাক