আজ শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকালে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার কাজী মো. সায়েমুজ্জামান স্বাক্ষরিত এ নোটিশ জারি করা হয়। তার বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের পাশাপাশি প্রশাসনিক কাজে বাধা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগ আনা হয়েছে। এই আসনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী সারজিস আলম। তাকেও একই দিন আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কারণ দর্শনোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, গত ২৩ জানুয়ারি বিকাল থেকে পঞ্চগড় পৌর এলাকায় পরিচালিত অভিযানে আপনার কর্মী-সমর্থকদের মাধ্যমে আচরণবিধিমালা পরিপন্থি তোরণ, বিলবোর্ড ও ফেস্টুন স্থাপনের বিষয়টি দেখা যায়। পরে পৌরসভার সহযোগিতায় দুটি তোরণ অপসারণ করা হলেও করতোয়া ব্রিজ এলাকায় স্থাপিত অনুমোদিত আকারের বাইরে বড় আকৃতির ফেস্টুন অপসারণে আপনার দলের নেতাকর্মীরা বাধা দেন এবং অসৌজন্যতামূলক আচরণ করেন। এ ছাড়া দায়িত্ব পালনরত ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা, উচ্ছৃঙ্খল আচরণ, গভীর রাতে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ের সামনে অবৈধ জমায়েত এবং সরকারি গণভোটের প্রচারণার ব্যানার ছেঁড়ার হুমকি দেওয়া হয়। যা আচরণবিধির ১৫(গ) ধারার লঙ্ঘন।
এ অবস্থায় আচরণবিধির সংশ্লিষ্ট ধারা ভঙ্গের দায়ে কেন আপনার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না- সে বিষয়ে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে সশরীরে অথবা প্রতিনিধির মাধ্যমে দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হলো। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব না দিলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও নোটিশে বলা হয়েছে।