রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক পলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।
আমীর খসরু বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন করেছিলেন।
দেশনেত্রী খালেদা জিয়া দীর্ঘ আন্দোলনের মাধ্যমে স্বৈরশাসনের অবসান ঘটিয়ে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। আর পরবর্তী সময়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে সমগ্র জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের পতন ঘটানো হয়েছে। এসব কারণে বিএনপি হচ্ছে গণতন্ত্রের প্রকৃত ধারক ও বাহক। তিনি বলেন, বিএনপি শুধু রাজনৈতিক গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না, দলটির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দর্শন হচ্ছে ‘অর্থনীতির গণতন্ত্র’।
অর্থাৎ, আগামী দিনে দেশের প্রতিটি নাগরিক শুধু ভোটের মাধ্যমে নয়, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমেও রাষ্ট্র পরিচালনায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে। অর্থনীতির সুফল দেশের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়াই বিএনপির লক্ষ্য। তিনি বলেন, চট্টগ্রামকে শুধু বক্তৃতায় নয়, বাস্তব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বাণিজ্যিক রাজধানীতে রূপ দেওয়া হবে। আলাদা করে ঘোষণা দেওয়ার প্রয়োজন হবে না, বিএনপির উন্নয়ন পরিকল্পনা ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমই চট্টগ্রামকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাণিজ্যিক রাজধানীতে পরিণত করবে।
এর আগে সভায় বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম থেকেই স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন এবং সম্মুখসমরে অংশ নিয়ে দেশ স্বাধীন করেছিলেন। সেই স্বাধীনতার পতাকা আজ জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে তারেক রহমানের হাতে এসেছে। ‘সবার আগে বাংলাদেশ’-এই স্লোগান সামনে রেখে পতাকার মর্যাদা সমুন্নত রাখাই বিএনপির অঙ্গীকার।
তিনি আরও বলেন, তারেক রহমান দেশের মানুষের জন্য একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিভিন্ন কার্ড চালু করা।
পাশাপাশি শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা। শহীদদের প্রত্যাশা, জনগণের আশা এবং ২০২৪ সালের ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের চেতনা অনুযায়ী বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।