জনসভা ঘিরে চুরির ঘটনা
রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জনসভাকে কেন্দ্র করে পলোগ্রাউন্ড এলাকায় সকাল থেকেই নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। এই সমাবেশকে ঘিরে পুলিশ, র্যাব ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার নিবিড় নজরদারি ছিল। সমাবেশস্থলে প্রস্তুতিমূলক কাজ চলার সময় আয়োজকদের নজরে আসে যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ মাইক ও তারের কয়েল গায়েব।
ক্ষতিগ্রস্ত সাউন্ড সিস্টেমের বিবরণ
সাউন্ড সিস্টেমের মালিক আবদুর রাজ্জাক (ঢাকা রাজ সাউন্ড সিস্টেম) জানান, সমাবেশের জন্য প্রায় ২০০টি মাইক স্থাপন করা হয়েছিল। শনিবার রাত ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে সর্বশেষ লাইন চেক করে কর্মীরা স্থান ত্যাগ করেন। ওই সময় রাস্তায় তাদের দুজন কর্মী টহলে ছিলেন। সকালে পুনরায় মাইক পরীক্ষা করার সময় ১৮টি মাইকের ইউনিট ও পাঁচ কয়েল তার চুরি হওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে। চুরি হওয়া মাইকগুলো সমাবেশস্থলের গেটের বাইরে সড়কের বৈদ্যুতিক খুঁটিতে প্রায় ১৫–১৬ ফুট উঁচুতে স্থাপন করা ছিল।
নিরাপত্তা সত্ত্বেও ঘটনা
জনসভাকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) ড্রোন ওড়ানোসহ সব ধরনের অস্ত্র, বিস্ফোরক, দাহ্য পদার্থ এবং লাঠি বা ধারাল বস্তু বহনে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। নিরাপত্তার স্বার্থে শনিবার রাত থেকেই কিছু সড়কে যান চলাচলও বন্ধ রাখা হয়। এত নিরাপত্তার মাঝেও চুরির ঘটনা ঘটায় আয়োজকদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। বিএনপির নেতাদের পরামর্শে আবদুর রাজ্জাক থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
পুলিশের বক্তব্য
চুরির ঘটনা নিয়ে সিএমপির দক্ষিণ জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার হোসাইন কবির ভূঁইয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফতাব উদ্দিন জানিয়েছেন, তিনি তারেক রহমানের প্রটোকলে দায়িত্বে ছিলেন এবং মাইক চুরির বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না।