ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খানের যুক্তরাষ্ট্র যাত্রা ও গ্রিন কার্ড নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটালেন অভিনেতা অমিত হাসান। তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, শাকিব খান একাধিকবার আবেদন করে প্রত্যাখ্যাত হলেও, দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে ২০২২ সালেই তাঁর কাঙ্ক্ষিত গ্রিন কার্ড লাভ করেন।
শাকিব ও অমিতের 'উড়ো জাহাজ' জীবন
গ্রিন কার্ড পাওয়ার পর শাকিব খান ও অমিত হাসান উভয়েই বাংলাদেশ ও আমেরিকার মধ্যে যাতায়াত করছেন। অমিত হাসান জানান, শুটিং বা কাজের প্রয়োজনে তারা দেশে আসেন। কিন্তু যখন কাজ থাকে না, তখন অবসর যাপনের জন্য বা পরিবারের কাছে আমেরিকায় ফিরে যান। তাঁদের কাজের ফাঁকে এই বাংলাদেশ-আমেরিকা যাতায়াত এখন ঢালিউডের অন্যতম আলোচিত বিষয়, যাকে তিনি ‘উড়ো জাহাজ’ জীবন হিসেবে অভিহিত করেছেন।
অমিত হাসানের গ্রিন কার্ড প্রাপ্তি
অমিত হাসান তাঁর নিজের গ্রিন কার্ড প্রাপ্তির অভিজ্ঞতাও তুলে ধরেন। তিনি ২০১৪ সালে প্রথম যুক্তরাষ্ট্রে যান। ২০১৭ সালে পরিবার নিয়ে অবকাশ যাপনের পর সন্তানদের শিক্ষার কথা ভেবে সেখানে স্থায়ী হওয়ার পরিকল্পনা করেন। সেই সূত্র ধরেই, ২০২৩ সালে ‘স্পেশাল ক্যাটাগরি ইবি-১’ (EB-1) ভিসার আওতায় অমিত হাসান সস্ত্রীক ও কন্যা সন্তানসহ গ্রিন কার্ড পান। তিনি বর্তমানে পরিবার নিয়ে স্থায়ীভাবে যুক্তরাষ্ট্রেই বসবাস করছেন।
শাকিবের স্থায়ী বসবাসের জল্পনা
অমিত হাসান নিজে পরিবার নিয়ে স্থায়ীভাবে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করলেও, শাকিব খান সেখানে পাকাপাকিভাবে থাকবেন কি না, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো বার্তা পাওয়া যায়নি। তবে সুপারস্টারের গ্রিন কার্ড প্রাপ্তির এই নিশ্চিত খবর তাঁর ভক্তদের মাঝে নতুন করে কৌতূহল সৃষ্টি করেছে।