দুর্ঘটনার প্রাথমিক তথ্য ও উদ্ধার অভিযান কোস্টগার্ডের দেওয়া তথ্যমতে, ডুবে যাওয়া ফেরিটিতে ৩৩২ জন যাত্রী এবং ২৭ জন ক্রু সদস্য ছিলেন। জাহাজটি জম্বোয়াঙ্গা (Zamboanga) থেকে জোলো (Jolo) দ্বীপের দিকে যাচ্ছিল। দুর্ঘটনার পর দ্রুত উদ্ধার অভিযান শুরু হলেও, এখনও ১৪৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন। কোস্টগার্ড কমান্ডার রোমেল দুয়া জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার কারণ এখনও স্পষ্ট নয় এবং ফেরিতে অতিরিক্ত ভিড় ছিল না।
ক্ষয়ক্ষতি ও আহতদের অবস্থা বাসিলান প্রদেশের মেয়র আরসিনা লাজা কাহিং-নানোহ (Arsina Laja Kahing-Nanoh) তাঁর ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও শেয়ার করে জানান, দুর্ঘটনায় কমপক্ষে আটজন মারা গেছেন। ভিডিওতে কোস্টগার্ড কর্মীদের উদ্ধার কাজ এবং মৃতদেহ উদ্ধারের দৃশ্য দেখা যায়। বাসিলানের উদ্ধারকর্মী রোনালিন পেরেজ (Ronalyn Perez) জানিয়েছেন, আহত মানুষের সংখ্যা বেশি এবং উদ্ধারকর্মী কম থাকায় উদ্ধারকাজ চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠেছে। এরই মধ্যে ১৮ জনকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ফিলিপাইনে সমুদ্র দুর্ঘটনার ইতিহাস ফিলিপাইনে প্রায়শই সমুদ্র দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। এর প্রধান কারণগুলির মধ্যে রয়েছে ঝড়ো আবহাওয়া, অতিরিক্ত যাত্রী বহন এবং নিরাপত্তা নিয়মের প্রতি অবহেলা। সম্প্রতি গত শুক্রবারও একটি কার্গো জাহাজ ডুবে দুইজন নাবিক নিহত হয়েছিলেন। সে দুর্ঘটনায় ১৫ জনকে উদ্ধার করা গেলেও ৪ জন নিখোঁজ ছিলেন। ফিলিপাইনের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সামুদ্রিক দুর্ঘটনাটি ঘটেছিল ১৯৮৭ সালে, যখন একটি ফেরি ডুবে ৪ হাজার ৩০০-এর বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।