নির্বাচন কমিশনে স্মারকলিপি প্রদান
ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সানাউল্লাহ হক ইসির যুগ্ম সচিব মঈন উদ্দীন খানের কাছে তাদের দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি জমা দেন। তিনি বলেন, বিগত দিনগুলোতে 'ফ্যাসিবাদী চর ও ভারতীয় দোসরের' কারণে আওয়ামী লীগ ফ্যাসিবাদী হওয়ার সুযোগ পেয়েছে। এদের ক্ষেত্রে নিবন্ধন বাতিল এবং নির্বাচন থেকে বিরত রাখার দাবিতেই তারা স্মারকলিপি দিয়েছেন।
জাপার বিরুদ্ধে 'অপরাধে' সহযোগিতা ও বৈধতা দেওয়ার অভিযোগ
সানাউল্লাহ হক বলেন, ২০১৪ সালের 'বিনা ভোটের নির্বাচন', ২০১৮ সালের 'ভোট ডাকাতির নির্বাচন' এবং ২০২৪ সালের 'ডামি নির্বাচনে' সহযোগিতা করে জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগকে বৈধতা দিয়েছে। তাঁর মতে, আওয়ামী লীগ যে অপরাধ করেছে, একই অপরাধে জাতীয় পার্টিও অপরাধী। তিনি আরও যোগ করেন, তারা আগেও জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছিলেন, কিন্তু তা করা হয়নি। এই ব্যর্থতার জন্য কেবল নির্বাচন কমিশন নয়, সরকারের যারা আছেন, তাদেরও দায় রয়েছে। তিনি জানান, তারা আজ (সোমবার) প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের প্রতিবাদ জানাবেন।
ইসির 'নমনীয়তা' নিয়ে প্রশ্ন
ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি নাজমুল হাসান জাপার প্রতি নির্বাচন কমিশনের আগ্রহের অভাব নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, 'যে জাতীয় পার্টি মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছে এবং আওয়ামী লীগকে ফ্যাসিবাদী শক্তিতে পরিণত হতে পেছন থেকে কলকাঠি নেড়েছে, সেই দলের প্রতি ইসির এই নমনীয়তা দেখে আমরা বিস্মিত।' তিনি আরও অভিযোগ করেন, জাতীয় পার্টির নেতারা প্রকাশ্যে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে এবং শেখ হাসিনার পক্ষে কথা বলছেন, অথচ তাদের কারাগারে থাকার কথা। এই দাবিতে সংগঠনটি একাধিক কর্মসূচিও পালন করেছে।