আইইউবিএটির নবম সমাবর্তন সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজির (আইইউবিএটি) ৯ম সমাবর্তন বাংলাদেশ-চিন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ও রাষ্ট্রপতির প্রতিনিধি হিসেবে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। সেখানেই তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে এসব গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেন।
শিক্ষা টেকসই জাতীয় অগ্রগতির শক্তিশালী হাতিয়ার মো. তৌহিদ হোসেন শিক্ষা ব্যবস্থাকে টেকসই জাতীয় অগ্রগতির অন্যতম শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি আইইউবিএটির গবেষণা কার্যক্রম, জ্ঞানভিত্তিক এলাকা উন্নয়ন উদ্যোগ এবং বৈশ্বিক বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার সক্ষমতার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, কিউএস (QS) ও টাইমস হায়ার এডুকেশন ইমপ্যাক্ট র্যাঙ্কিংয়ের মতো আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিগুলো আইইউবিএটির একাডেমিক উৎকর্ষ ও উদ্ভাবনী সক্ষমতার পরিচায়ক।
সমাবর্তন বক্তার বক্তব্য ও ডিগ্রি প্রদান সমাবর্তন বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কানাডার ইউনিভার্সিটি অব রেজাইনার প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. জেফ কেশেন। তিনি উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন আইইউবিএটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুর রব এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সেলিনা নার্গিস। সমাবর্তনে কৃষি, ইঞ্জিনিয়ারিং, বিবিএ ও নার্সিং সহ বিভিন্ন অনুষদের প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি প্রদান করা হয়।
স্বর্ণপদক ও পুরস্কার লাভ কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের স্বীকৃতিস্বরূপ একাধিক শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করা হয়। কৃষি বিভাগের শাহরিন খন্দকার, ইংরেজি বিভাগের মোছা. লুৎফুননাহার কামিনী এবং পাবলিক হেলথ বিভাগের মাহারুন্নেসা মিতু 'মিয়ান স্বর্ণপদক' লাভ করেন। এদের মধ্যে সর্বোচ্চ সাফল্যের জন্য শাহরিন খন্দকারকে 'আলিমউল্যা মিয়ান পুরস্কার' প্রদান করা হয়। সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং দেশি-বিদেশি অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।