বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে দেবীদ্বার সদরের নিউ মার্কেট এলাকায় ‘মুক্তিযুদ্ধ চত্বরে’ এনসিপির নির্বাচনি পথসভায় এ কথা বলেন তিনি।
আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘কুমিল্লাকে বিভাগ হিসেবে বাস্তবায়নের জন্য গত দেড় বছরে যত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার প্রয়োজন, সব প্রক্রিয়া শেষ হয়ে গেছে। শুধু একটি ঘোষণার অপেক্ষা মাত্র। ১১ দলীয় ঐক্যজোট ক্ষমতায় আসার এক মাসের মধ্যে বিভাগ ঘোষণা করা হবে।’
এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচনি পদযাত্রার এই পথসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আসিফ মাহমুদ। কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনে জামায়াত-এনসিপির নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। তবে পথসভায় হাসনাত আবদুল্লাহ উপস্থিত ছিলেন না। বক্তব্যের আগে দেবীদ্বার সদরে ক্যারাভানে করে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা করেন আসিফ মাহমুদ।
স্থানীয় বিএনপি এবং মুরাদনগরের বিএনপি প্রার্থীর সমালোচনা করে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘আমি যখন দায়িত্বে ছিলাম, তখন দেবীদ্বার বিএনপি ও কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনের প্রার্থী কুমিল্লায় উন্নয়ন কার্যক্রম যাতে না হয়, সেজন্য প্রধান উপদেষ্টাকে পর্যন্ত বলেছেন। ১১ দলীয় ঐক্যজোট ক্ষমতায় গেলে আমরা তরুণদের আত্মনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে তুলবো। যেই তরুণরা জুলাই বিপ্লবে জীবন দিয়েছেন, তারা কারও দয়ার ওপর নির্ভরশীল হতে পারে না।’
নারীরা ভোট চাইতে মানুষের বাড়িতে গেলে একটি বিশেষ দলের সদস্যরা নারীদের হেনস্তা করছেন বলে জানিয়েছেন এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব মনিরা শারমিন। পথসভায় তিনি বলেন, ‘দেশবাসীর কাছে আমাদের আহ্বান থাকবে, আপনারা কোনও নারী হেনস্তাকারীদের সংসদে পাঠাবেন না। কোনও ঋণখেলাপি ও বিদেশি নাগরিকদের ভোট দিয়ে সংসদে পাঠাবেন না। চাঁদাবাজ, দখলবাজ ও সন্ত্রাসমুক্ত দেবীদ্বার গড়তে শাপলা কলিতে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন।’
এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব লুৎফর রহমানের সঞ্চালনায় পথসভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা-৩ আসনের (মুরাদনগর) জামায়াতের প্রার্থী ইউছুফ সোহেল, এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব তাহসিন রিয়াজ, যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক নাভিদ নওরোজ শাহ, জাতীয় যুব শক্তির আহ্বায়ক তরিকুল ইসলাম, মুখ্য সংগঠক ফরহাদ সোহেল, কুমিল্লা উত্তর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সাইফুল ইসলাম (শহীদ)।