টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ ম্যাচের মালিক স্টার্লিং
দুবাইয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে প্রথম টি–টোয়েন্টি ম্যাচে মাঠে নেমেই রেকর্ড গড়েন পল স্টার্লিং। এই ম্যাচটি ছিল টি-টোয়েন্টিতে তার ১৬০তম ম্যাচ, যা তাকে রোহিত শর্মার (১৫৯ ম্যাচ) চেয়ে এক ম্যাচ এগিয়ে নিয়ে যায় এবং রেকর্ডের একক মালিক করে তোলে। ২০০৭ সালে শুরু হওয়া রোহিতের টি–টোয়েন্টি ক্যারিয়ার ২০২৪ বিশ্বকাপ জয়ের পর সংক্ষিপ্ত সংস্করণ থেকে অবসরের মাধ্যমে শেষ হয়। এই রেকর্ড দীর্ঘদিন ধরে অক্ষত ছিল, যা অবশেষে ভাঙলেন স্টার্লিং।
রেকর্ডের দিনে স্টার্লিংয়ের ব্যাটিং ব্যর্থতা
রেকর্ড গড়ার এই ঐতিহাসিক দিনে অবশ্য ব্যাট হাতে খুব বেশি অবদান রাখতে পারেননি আইরিশ অধিনায়ক। ওপেনিংয়ে নেমে তিনি মাত্র ৮ রান করেই আউট হন। তবে ব্যক্তিগত স্কোর কম হলেও, এই ম্যাচটি তাকে টি–টোয়েন্টি ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা ক্রিকেটার হিসেবে স্থায়ীভাবে জায়গা করে দিয়েছে।
সেরা পাঁচে আয়ারল্যান্ডের দুই ক্রিকেটার
বর্তমানে টি–টোয়েন্টিতে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার তালিকায় স্টার্লিংয়ের পরেই আছেন তারই সতীর্থ জর্জ ডকরেল (১৫৩ ম্যাচ)। এছাড়া শীর্ষ পাঁচে রয়েছেন আফগানিস্তানের মোহাম্মদ নবি (১৪৮ ম্যাচ) ও ইংল্যান্ড অধিনায়ক জস বাটলার। টি-টোয়েন্টির ইতিহাসে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলাদের তালিকায় আয়ারল্যান্ডের দুই ক্রিকেটারের উপস্থিতি তাদের এই ফরম্যাটের প্রতি মনোযোগের প্রমাণ।
দলের বড় জয় ও বোলিং দাপট
রেকর্ড ভাঙা ম্যাচের দলীয় পারফরম্যান্স ছিল দুর্দান্ত। প্রথমে ব্যাট করে আয়ারল্যান্ড ১৭৮ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর তোলে। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৯ রান করেন রস অ্যাডায়ার, এছাড়া লোরকান টাকার ৩৮ রান যোগ করেন। বেঞ্জামিন কালিটজ ও জর্জ ডকরেলও মাঝের ওভারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। জবাবে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই ধুঁকতে থাকে আমিরাত। আয়ারল্যান্ডের বোলার ম্যাথিউ হামফ্রিস ও গ্যারেথ ডেলানি তিনটি করে উইকেট নিয়ে প্রতিপক্ষের ব্যাটিং লাইন-আপ ভেঙে দেন। শেষ পর্যন্ত আয়ারল্যান্ড ৫৭ রানের বড় ব্যবধানে ম্যাচ জিতে সিরিজে শক্ত বার্তা দেয়। রেকর্ড ভাঙা এবং বড় ব্যবধানের জয়—এই দুই মিলিয়ে ম্যাচটি পল স্টার্লিং ও আয়ারল্যান্ড ক্রিকেটের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকল।