শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় নির্বাচন ভবনের সামনে তারা এই ক্ষোভ প্রকাশ করেন। দলটির সদস্য সচিব ফাতেমা তাসনিমের নেতৃত্বে ইসি সংক্রান্ত দুই-তিনশ নেতাকর্মী জড়ো হয়ে নিবন্ধনের জন্য অবস্থান নেন। এসময় তারা ইসির বিরুদ্ধে নিবন্ধন না দেওয়ার কারসাজির অভিযোগ তোলেন এবং নানা স্লোগান দেন।
এ সময় তাদের বলতে শোনা যায়— ‘হয় নিবন্ধন দিবি, নইলে গদি ছাড়বি।’ এছাড়া তারা সিইসি ও ইসি সচিবের পদত্যাগও দাবি করেন। বিক্ষুব্ধ সমাবেশকে শান্ত করার জন্য পুলিশ ইসির সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ করে দেয়। ফাতেমা তাসনিমের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল নির্বাচন ভবনে স্মারকলিপি দিতে গেলে নির্বাচন শাখার একজন উপ-সচিব তা গ্রহণ করতে চান।
তবে আমজনগণ পার্টির নেতারা তার হাতে স্মারকলিপি দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং সচিব বা সিইসি ছাড়া অন্য কারো হাতে তা দেবেন না বলে চলে আসেন। এরই মধ্যে সেনাবাহিনী নির্বাচন ভবনে সতর্ক অবস্থান নেয় এবং ইসিতে প্রবেশের কড়াকড়ি আরোপ করে। এই অবস্থায় ভবনের সামনে নেতা-কর্মীদের উপস্থিতিতে এক সংক্ষিপ্ত ভাষণে ফাতেমা তাসনিম বলেন, পুলিশ তাদের সঙ্গে তামাশা করেছে। তারা ইসি সচিবের সঙ্গে সাক্ষাত করিয়ে দেওয়ার নাম করে নির্বাচন ভবনে নিয়ে গিয়ে একজন উপ-সচিবের কাছে স্মারকলিপি দেওয়ার কথা বলেছে।
আমরা তা না দিয়ে ফিরে এসেছি। এ সময় তিনি বলেন, যতক্ষণ নির্বাচন কমিশন তাদের নিবন্ধন না দেবেন, ততক্ষণ অবস্থান কর্মসূচি থেকে এক চুলও সরবো না। আগামী ৪৮ ঘণ্টা অবস্থান করব।
এই নির্দেশনায় নেতাকর্মীরা সিইসি ও ইসি সচিবের কুশপুত্তলিকায় পচা ডিম নিক্ষেপ এবং জুতা নিক্ষেপ করেন। পরে কুশপুত্তলিকায় অগ্নিসংযোগের চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের বাধা দেয় এবং কুশপুতুল দুটো অন্যত্র সরিয়ে নেয়।