ভূমিকা ও মহড়ার বিশদ বিবরণ লোহিত সাগরে ১ ফেব্রুয়ারি এই নির্ধারিত নৌ মহড়াটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে যুক্তরাষ্ট্রের আরলি বার্ক শ্রেণির গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ইউএসএস ডেলবার্ট ডি. ব্ল্যাক এবং ইসরায়েলি নৌবাহিনীর জাহাজ আইএনএস ইলাত অংশগ্রহণ করে। দুই দেশের নৌবাহিনী একসঙ্গে সামুদ্রিক কৌশল এবং সমন্বয় অনুশীলন করেছে। সেন্টকম এই মহড়ার বিশদ বিবরণ প্রকাশ করে।
সহযোগিতা ও পূর্বপরিকল্পনা ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র আভিখাই আদ্রাই জানান, এই যৌথ মহড়াটি যুক্তরাষ্ট্রের ফিফথ ফ্লিটের সঙ্গে তাদের চলমান সহযোগিতার একটি অংশ। তিনি আরও নিশ্চিত করেন যে, মার্কিন ডেস্ট্রয়ারটির বন্দরে ভেড়া ছিল পূর্বপরিকল্পিত এবং নিয়মিত সফরের অংশ। এটি মূলত দুই মিত্রশক্তির মধ্যে সামরিক সম্পর্ক ও প্রস্তুতির ধারাবাহিকতা বজায় রাখার প্রচেষ্টা।
আঞ্চলিক নিরাপত্তা প্রেক্ষাপট এই মহড়ার সময়েই ওয়াশিংটন অঞ্চলে তার সামরিক উপস্থিতি জোরদার করে চলেছে। একইসঙ্গে তেহরানের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগও চালিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে আলোচনার টেবিলে বসার আহ্বান জানিয়েছেন এবং একইসঙ্গে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন। অন্যদিকে ইরান সতর্ক করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের যে কোনো হামলাকে তারা সর্বাত্মক যুদ্ধ হিসেবে দেখবে। এমন পরিস্থিতিতে এই যৌথ নৌ মহড়া মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও বেশি উত্তেজনাকর করে তুলছে।
সামরিক ও কূটনৈতিক বার্তা লোহিত সাগরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই যৌথ সামরিক মহড়া একইসঙ্গে একটি সামরিক শক্তি প্রদর্শন এবং কূটনৈতিক বার্তা বহন করে। এটি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষার পাশাপাশি সম্ভাব্য নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দুই দেশের সামরিক প্রস্তুতির একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয়। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র তার মিত্রদের প্রতি সমর্থন এবং ইরানের প্রতি সতর্কবার্তা প্রদান করছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।