তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে সাধ্যের মধ্যে সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বিএনপি সবসময় বিশ্বাস করে জনগণই সব ক্ষমতার উৎস।
রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকালে রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বর সেনপাড়া আদর্শ সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে ঢাকা-১৫ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের সমর্থনে আয়োজিত পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। উল্লেখ্য, এই আসনে বিএনপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে লড়ছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তারেক রহমান বলেন, “দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী। বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রতিটি ঘরে গৃহিণীদের কাছে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পৌঁছে দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে তাদের সরাসরি সরকারি সহায়তা প্রদান করা হবে।” তিনি আরও মনে করিয়ে দেন যে খালেদা জিয়ার আমলেই মেয়েদের দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষার সুযোগ তৈরি হয়েছিল, যা ভবিষ্যতে আরও সম্প্রসারিত করা হবে।
বেকারত্ব দূরীকরণে প্রতিটি এলাকায় অন্তত একটি করে ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট গড়ে তোলার ঘোষণা দেন বিএনপি চেয়ারম্যান। সেখানে ভাষা শিক্ষা ও আধুনিক কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তরুণদের দেশে ব্যবসা বা বিদেশে কর্মসংস্থানের উপযোগী করে গড়ে তোলা হবে।
কৃষকদের সুরক্ষায় ‘কৃষি কার্ড’ চালুর পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করার প্রতিশ্রুতি দেন তারেক রহমান। এছাড়া প্রতিটি গ্রামে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ এবং ঢাকা-১৫ এলাকার দীর্ঘদিনের সমস্যা ‘১০০ ফিট রাস্তা’র কাজ দ্রুত শুরু ও নতুন হাসপাতাল স্থাপনের ঘোষণা দেন তিনি।
এর আগে দুপুরে নিজের নির্বাচনি এলাকা ঢাকা-১৭ আসনের ইসিবি চত্বর থেকে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করেন তারেক রহমান। সেখান থেকে পল্লবীতে ঢাকা-১৬ আসনের প্রার্থী আমিনুল হকের সমর্থনে আয়োজিত পথসভায় অংশ নিয়ে তিনি মিরপুরে পৌঁছান।
মিরপুরের সভায় ঢাকা-১৫ আসনের প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মিল্টন ছাড়াও বক্তব্য রাখেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়াল এবং ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিবসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।