সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) কুড়িগ্রাম কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে নির্বাচনি মিছিল পূর্বক একটি জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।
রিজভী বলেন, ‘দুই জনের মন্ত্রিত্ব আপনারা নিয়েছিলেন। এখন গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, মেয়েরা সংসদ সদস্য হতে পারবে না! রাজনীতি করতে পারবেন কিন্তু দলের সর্বোচ্চ পর্যায়ে যেতে পারবেন না। দলের প্রধান হতে পারবে না, রাষ্ট্রের প্রধান হতে পারবে না।’
বিএনপির এই কেন্দ্রীয় নেতা নারী নেতৃত্বের প্রতি জামায়াতের মনোভাবের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, ‘এটা কি নারীদের অধিকার রক্ষার বিষয় হলো? একজন মহিলা দলের প্রধান হতে পারবে না? আপনারা যে দলটির সঙ্গে ঐক্য করে মন্ত্রিত্বের স্বাদ নিলেন সেই দল বিএনপি। তার চেয়ারপারসন ছিলেন একজন মহিলা। আপনাদের এই যে কর্মকাণ্ড, আপনাদের মনের ভেতর যে কী জিনিস লুকিয়ে আছে তা কেউ ভাবতে পারবে না।’
তিনি বলেন, ‘আপনারা (জামায়াত) মনে করেন, কোনোভাবেই যদি রাষ্ট্র ক্ষমতা পেয়ে নেই তারপর দেখবো। অর্থাৎ তারা যদি ক্ষমতায় আসে মেয়েদের ক্ষমতা থাকবে না, তারা কর্মক্ষেত্র ও রাজনীতি- কোনও জায়গায় ভালো অবস্থান নিতে পারবেনা যা তাদের কথার মধ্যে দিয়ে প্রমাণিত হচ্ছে।’
ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘অনেক নিপীড়ন গেছে বিএনপির ওপর। বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে নিপীড়ন করা হয়েছে। তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়নি এবং তার খাদ্যের মধ্যে বিষক্রিয়া করা হয়েছে। এখন ধানের শীষকে যদি আমরা বিজয়ী করতে পারি তাহলে শেখ হাসিনার অন্যায়ের প্রতিবাদ হবে। এই নির্বাচনি লড়াইয়ের তাৎপর্য অনেক। ধানের শীষে ভোট দেওয়ার মাধ্যমেই তা অর্জন করতে হবে।’
মিছিল পূর্ব সভায় উপস্থিত ছিলেন- কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম বেবু, হাসিবুর রহমান হাসিবসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। পরে বিশাল একটি নির্বাচনি মিছিল বের হয়ে শহর প্রদক্ষিণ করে।