প্রার্থীর মনোনয়ন পাওয়ার যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলায় বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা তার কাছ থেকে মাইক কেড়ে নেন। এ অবস্থায় দ্রুত সভাস্থল ত্যাগ করেন হাসনা মওদুদ।
সোমবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে সদর উপজেলার অশ্বদিয়া ইউনিয়নের বাল্লাকোট্টা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সোমবার বিকালে নির্বাচনি প্রচারের শেষ দিনে বাল্লাকোট্টা এলাকায় মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করে অশ্বদিয়া ইউনিয়ন বিএনপি। সেখানে অতিথি হিসেবে আসেন সাবেক সংসদ সদস্য জেলা বিএনপির সদস্য হাসনা জসীমউদ্দীন মওদুদ। তিনি আসার পর অশ্বদিয়া ও নেয়াজপুর ইউনিয়নে নির্বাচন সমন্বয়ক ও জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু হাসান মো. নোমানসহ দলীয় নেতারা তাকে অভ্যর্থনা জানান। পরে হাসনা মওদুদকে বক্তব্য দিতে দেওয়া হলে একপর্যায়ে বলতে থাকেন, ‘এই আসনে আমি মনোনয়ন চেয়েছিলাম। কিন্তু আমাকে মনোনয়ন কেন দেওয়া হয়নি আমি জানি না। যাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, তার কোনও যোগ্যতাই নাই।’
এ কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে উপস্থিত বিএনপির সমর্থকরা হইচই শুরু করেন। কয়েকজন এসে তার হাত থেকে মাইক ছিনিয়ে নেন এবং তার গাড়িতে লাগানো ধানের শীষের পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেন। তখন উপস্থিত জ্যেষ্ঠ নেতাদের হস্তক্ষেপে তিনি রক্ষা পান। অবস্থা বেগতিক দেখে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন হাসনা মওদুদ।
এ বিষয়ে হাসনা জসীমউদ্দীন মওদুদ বলেন, ‘বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অনুরোধে আমি ধানের শীষের প্রচারে অংশ নিতে এলাকায় এসেছি। সমাবেশে উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে বলেছি, আমি মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলাম। পরে প্রত্যাহার করেছি। দল কেন আমাকে মনোনয়ন দিলো না, তা জানি না। কিন্তু যাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, তার কোনও যোগ্যতাই নেই। এই কথা বলতেই কয়েকজন হইচই শুরু করেন। এর মধ্যে বোতল হাতে এক ব্যক্তি উত্তেজিত হয়ে আমার দিকে তেড়ে আসেন।’