• দেশজুড়ে
  • মুন্সীগঞ্জে পরিত্যক্ত মুদি দোকান থেকে ৩ বালতি ককটেল উদ্ধার

মুন্সীগঞ্জে পরিত্যক্ত মুদি দোকান থেকে ৩ বালতি ককটেল উদ্ধার

মুন্সীগঞ্জ সদরে সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযানে অর্ধশতাধিক ককটেল ও চোরাই ব্যাটারি জব্দ; এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার।

দেশজুড়ে ১ মিনিট পড়া
মুন্সীগঞ্জে পরিত্যক্ত মুদি দোকান থেকে ৩ বালতি ককটেল উদ্ধার

মুন্সীগঞ্জ সদরের মোল্লাকান্দি ইউনিয়নে একটি পরিত্যক্ত মুদি দোকান থেকে ৩ বালতি ভর্তি তাজা ককটেল উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী। অভিযানে ককটেলের পাশাপাশি বেশ কিছু চোরাই ব্যাটারিও জব্দ করা হয়েছে। শনিবার রাতে উপজেলার ঢালিকান্দি এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে এসব বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়। চরাঞ্চলে আধিপত্য বিস্তার ও নাশকতার পরিকল্পনা রুখতে এই অভিযান চালানো হয় বলে জানিয়েছে সেনাবাহিনী।

অভিযানের বিস্তারিত মুন্সীগঞ্জ সদরের মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের ঢালিকান্দি এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় সেনাটহল জোরদার করা হয়। শনিবার রাত ৯টার দিকে ঢালীকান্দি এলাকায় মানিক শিকদারের বাড়িতে অভিযান চালায় সেনা সদস্যরা। এ সময় পাশের একটি পরিত্যক্ত মুদি দোকানের ভেতর তিনটি লাল প্লাস্টিকের বালতি দেখে সন্দেহ হলে তল্লাশি চালানো হয়। বালতিগুলো থেকে আনুমানিক অর্ধশতাধিক তাজা ককটেল উদ্ধার করা হয়।

চোরাই মালামাল জব্দ বিস্ফোরক উদ্ধারের পাশাপাশি ওই একই স্থান থেকে মোবাইল টাওয়ারে ব্যবহৃত বেশ কয়েকটি চোরাই ব্যাটারি উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী। ১৯ বীর মাওয়া সেনানিবাসের সিও লেফটেন্যান্ট কর্নেল আকিব জাভেদ এই অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় উত্তেজনা ও পূর্ববিরোধ স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, চরাঞ্চলে প্রভাব বিস্তার নিয়ে পক্ষ-বিপক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। এর জের ধরে শনিবার সন্ধ্যায় নোয়াদ্দা এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়েছিল। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় সেনাবাহিনী এবং পরবর্তীতে এই উদ্ধার অভিযান চালানো হয়।

প্রশাসনের বক্তব্য মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাসুদুর রহমান জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত টহল ও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। যেকোনো ধরনের নাশকতা প্রতিরোধে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দা নুরমহল আশরাফী বলেন, “জেলায় শান্ত ও সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে জেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে। সহিংসতা দমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করছে। আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

এখন পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব না হলেও জড়িতদের ধরতে গোয়েন্দা তৎপরতা ও তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে।

Tags: crime news munshiganj law and order bangladesh army cocktail recovery molla-kandi