ভোলার আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ এ রিট করেন। তার পক্ষে আইনজীবী হিসেবে রয়েছেন ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির।
রিটে মো. সাহাবুদ্দিন, বাংলাদেশ (পক্ষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব), মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।
আবেদনে সংবিধান লংঘন করে কেন বেআইনিভাবে ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল থেকে রাষ্ট্রপতি পদে আছেন তা কেন আইনগত কর্তৃত্ব বর্হিভূত ঘোষণা করা হবে না, জাতিসংঘের (ওএইচসিএইচআর) প্রতিবেদন অনুসারে জুলাই অভ্যুত্থানে সহযোগী হিসেবে ষড়যন্ত্রের অপরাধ, ডামি নির্বাচনে উৎসাহ এবং সব ইনস্টিটিউট ধ্বংসের অভিযোগে কেন মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অপরাধের কার্যক্রম নেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারির আর্জি জানানো হয়েছে।
এর আগে ২৫ ফেব্রুয়ারি একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়।
নোটিশে বলা হয়, একটি সাক্ষাতকারে রাষ্ট্রপতি জুলাইয়ের স্পিরিটকে অসম্মান করেছেন। তাই তিনি আর এ পদে থাকতে পারেন না।
তার আমলে ২০২৪ সালে ‘ডামি নির্বাচন’ নামে পরিচিত ১২তম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এমতবস্থায় তিনি শপথ ভঙ্গ করেছেন। তাই নতুন রাষ্ট্রপতির নাম ঘোষণা করে তাকে দিয়ে সংসদের প্রথম অধিবেশনে উদ্বোধনী বক্তব্য দেওয়াতে হবে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ না নিলে রিট করার কথা বলা হয়েছে।