যুদ্ধের চতুর্থ দিনে একটি বিশেষ কৌশলগত পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে, যেখানে আইআরজিসি-র অ্যারোস্পেস ফোর্স এবং নেভি ইউনিটের মধ্যে সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে আঘাত হানার মূল দায়িত্ব এখন আইআরজিসি নেভির ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে।
গত চার দিনের অভিযানে দেখা গেছে, ওই অঞ্চলে মোতায়েন করা মার্কিন বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলো তাদের ঘাঁটিগুলোকে পূর্ণ সুরক্ষা দিতে চরম চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। ইরান বর্তমানে শত্রু পক্ষকে মোকাবিলায় অত্যন্ত কার্যকর এবং সাশ্রয়ী মাধ্যম হিসেবে আত্মঘাতী ড্রোন ব্যবহারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।
আইআরজিসি নেভির ভাণ্ডারে থাকা বিপুল সংখ্যক ড্রোন ব্যবহার করে মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে একের পর এক আক্রমণ চালানো হচ্ছে। বিশেষ করে অভিযানের ১৪ ও ১৫ নম্বর ধাপগুলো আইআরজিসি নৌ বাহিনী পরিচালনা করেছে, যেখানে দক্ষিণ পারস্য উপসাগরের সামুদ্রিক ফ্রন্ট এবং সেখানে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে মূল লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।