• দেশজুড়ে
  • ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ পলাশবাড়ীর সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল ইয়াসা রহমান তাপাদারের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের প্রতিবাদ

ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ পলাশবাড়ীর সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল ইয়াসা রহমান তাপাদারের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের প্রতিবাদ

দেশজুড়ে ১ মিনিট পড়া
ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ  পলাশবাড়ীর সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল ইয়াসা রহমান তাপাদারের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের প্রতিবাদ

পলাশবাড়ী উপজেলা প্রতিনিধি - আরিয়ান রাকিব:

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলা-এর সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল ইয়াসা রহমান তাপাদারকে জড়িয়ে সম্প্রতি একটি অনলাইন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদকে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। তাদের মতে, সংবেদনশীল বিষয়ে যথাযথ অনুসন্ধান ছাড়াই এ ধরনের প্রতিবেদন প্রকাশ দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার পরিপন্থী। গত ১ মার্চ ঢাকা থেকে পরিচালিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল ঢাকা প্রকাশ-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এলেঙ্গা–হাটিকুমরুল–রংপুর চার লেন প্রকল্পের আওতায় জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর নাম উল্লেখ করে অভিযোগ উপস্থাপন করা হয়। সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, উত্থাপিত অভিযোগগুলো তথ্যনির্ভর নয় এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র যাচাই ছাড়াই তা প্রকাশ করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলএ কেস নং–১/৬৯/১৯৫৭–৫৮-এর আওতায় উপজেলার নুনিয়াগাড়ী মৌজার একটি অংশ ১৯৫৭–৫৮ অর্থবছরে অধিগ্রহণ করা হয় এবং তৎকালীন মালিক ক্ষতিপূরণ গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে একই দাগভুক্ত জমি নিয়ে পুনরায় অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত কিছু অভিযোগ উঠলেও সংশ্লিষ্টরা জানান, বিষয়টি বর্তমানে প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার মধ্যেই রয়েছে। গণমাধ্যমকর্মীদের ভাষ্য, জমি অধিগ্রহণের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট নথি, সময়কাল, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের কার্যপরিধি এবং প্রশাসনিক প্রক্রিয়া যথাযথভাবে যাচাই করা জরুরি। অন্যথায় জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে এবং প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তথ্য অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, গাইবান্ধা জেলা এলএ শাখার যেসব কর্মকর্তার নাম আলোচনায় এসেছে, তারা সংশ্লিষ্ট সময়কালে এলএ শাখায় দায়িত্বে ছিলেন না বলে দাবি করা হয়েছে। এদিকে উপজেলা গণমাধ্যমকর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তাদের বক্তব্য, অভিযোগ থাকলে তা নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই হওয়া উচিত। প্রমাণ ও তথ্যভিত্তিক অনুসন্ধান ছাড়া কোনো ব্যক্তিকে জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশ করা অনভিপ্রেত। এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল ইয়াসা রহমান তাপাদার বলেন, “সংবাদটি দেখে আমি বিস্মিত হয়েছি। বিষয়টি জেলা প্রশাসক মহোদয়কে অবহিত করেছি। অভিযোগটি যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে আমলে নিয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছি।” সংশ্লিষ্ট মহল সকল সংবাদমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, ভবিষ্যতে এ ধরনের সংবেদনশীল বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন, বহুমাত্রিক তথ্য-যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য গ্রহণের মাধ্যমে পেশাগত নীতিমালা মেনে সংবাদ পরিবেশন নিশ্চিত করতে।