• দেশজুড়ে
  • সেনবাগের ফায়ার স্টেশনের কর্মী ফেসবুকে লিখেছিলেন এবার গন্তব্য পরিবার’ বাড়ি ফেরা হলো না প্রান্ত মণ্ডলের।

সেনবাগের ফায়ার স্টেশনের কর্মী ফেসবুকে লিখেছিলেন এবার গন্তব্য পরিবার’ বাড়ি ফেরা হলো না প্রান্ত মণ্ডলের।

দেশজুড়ে ১ মিনিট পড়া
সেনবাগের ফায়ার স্টেশনের কর্মী ফেসবুকে লিখেছিলেন এবার গন্তব্য পরিবার’ বাড়ি ফেরা হলো না প্রান্ত মণ্ডলের।

মনির হোসেন সেনবাগ নোয়াখালী প্রতিনিধি

নিজের মোটরসাইকেল নিয়ে কর্মস্থল নোয়াখালীর সেনবাগ থেকে মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন প্রান্ত মণ্ডল। তিনি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একজন অগ্নিনির্বাপক কর্মী। রওনা হওয়ার পর ফেসবুক স্টোরিতে নিজের মোটরসাইকেলের একটি ছবি দিয়ে লিখেছিলেন- ‘এবার গন্তব্য আমার পরিবার।’

তবে শেষ পর্যন্ত আর বাড়ি ফেরা হলো না তার। পথিমধ্যেই তিনি সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) রাত ৯টার দিকে বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ইচলাদী স্টেশন সংলগ্ন ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পিকআপ ভ্যানের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত প্রান্ত মণ্ডল বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার রূপধন এলাকার বাসিন্দা। তিনি পুলিন মণ্ডলের ছেলে। অসুস্থ বাবার চিকিৎসার জন্য ছুটি নিয়ে তিনি কর্মস্থল সেনবাগ ফায়ার স্টেশন থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন বলে জানান তার খালাতো ভাই তুষার হাজরা।

তিনি আরও বলেন, বাড়িতে তার অপেক্ষায় ছিলেন স্ত্রী, এক বছরের সন্তান মুগ্ধ এবং বাবা-মা। প্রান্ত ছিলেন একমাত্র ছেলে। তার বড় একটি বোনও রয়েছে।

ঘটনার বিষয়ে গৌরনদী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম শেখ বলেন, মোটরসাইকেল ও পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষের পর পিকআপটি দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরিচয়পত্র দেখে নিশ্চিত হওয়া যায় যে প্রান্ত মণ্ডল বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সে কর্মরত ছিলেন। পিকআপটি শনাক্তে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।