দেশের সংগীতাঙ্গনের দুই পরিচিত মুখ ডলি সায়ন্তনী ও রবি চৌধুরী। দীর্ঘ বছর আগে তাদের বিচ্ছেদ ঘটলেও সম্প্রতি রবি চৌধুরীর এক বিস্ফোরক মন্তব্যে বিষয়টি পুনরায় আলোচনায় এসেছে। একটি পডকাস্টে রবি চৌধুরী দাবি করেন, তাদের সংসার ভাঙার পেছনে বিপ্লব নামের এক প্রবাসীর সঙ্গে ডলির পরকীয়া সম্পর্ক দায়ী ছিল। তবে এই অভিযোগকে সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন ডলি সায়ন্তনী।
অভিযোগের জবাবে ডলির কড়া বার্তা নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ডলি সায়ন্তনী লিখেছেন, “সম্প্রতি আমাদের পরিবার ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে যে বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমরা ইচ্ছাকৃতভাবে বিষয়টি নিয়ে কোনো বিতর্কে যেতে চাই না। সম্মান ও আইনের প্রতি আস্থা রেখে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি।” তিনি আরও যোগ করেন যে, তার নীরবতাকে দুর্বলতা ভাবার কোনো সুযোগ নেই।
ডিভোর্স কে দিয়েছিলেন? বিচ্ছেদ প্রসঙ্গে ডলি সায়ন্তনী স্পষ্ট করে বলেন যে, ডিভোর্সটি তিনিই দিয়েছিলেন। তিনি উল্লেখ করেন, “একটি বিষয় স্পষ্ট করে বলতে চাই— যে ডিভোর্স প্রসঙ্গে নানা কথা বলা হচ্ছে, ডিভোর্স আমি দিয়েছিলাম। কেন দিয়েছিলাম সেটি এই মুহূর্তে আর বলতে চাই না।” ডলির মতে, বিচ্ছেদের কারণ তিনি সেই সময়েই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সবাইকে জানিয়েছিলেন, তাই এত বছর পর নতুন করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর কোনো মানে হয় না।
রবি চৌধুরীর দাবি ও সন্দেহ আলোচিত পডকাস্টে রবি চৌধুরী জানিয়েছিলেন, ডলির ফোনে 'দুলাভাই' নামে একটি নম্বর সেভ করা ছিল। পরে তিনি জানতে পারেন ওই ব্যক্তি আসলে দক্ষিণ কোরিয়া প্রবাসী বিপ্লব, যিনি তাদের কোরিয়া সফরে গাড়ি চালাতেন। ডলির বড় ভাই কণ্ঠশিল্পী বাদশা বুলবুলের মাধ্যমে নম্বরটি যাচাই করে রবি জানতে পারেন যে তাদের ওই নামে কোনো দুলাভাই নেই। রবির দাবি, এই সত্যতা পাওয়ার পরই তিনি বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।
বর্তমানে ডলি সায়ন্তনী মাহে রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করার আহ্বান জানিয়ে ব্যক্তিগত কাদা ছোড়াছুড়ি বন্ধের অনুরোধ করেছেন।