তাদের মধ্যে বেনগাজীর গানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে আটক ১৪৩ জন এবং আশপাশের এলাকায় বসবাসকারী অসহায় ও অসুস্থ ২২ জন রয়েছেন।
লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় তাদের দেশে ফেরানো হয়।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ৫টায় বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে তারা ঢাকায় পৌঁছান।
প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের বেশিরভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহায়তায় লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন বলে জানা গেছে। তাদের অনেকেই সেখানে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। দেশে ফেরার পর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে তাদের অভ্যর্থনা জানান।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রত্যাবাসিতদের অনুরোধ করা হয়, যেন তারা নিজেদের দুর্বিষহ অভিজ্ঞতা অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখেন।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার পক্ষ থেকে প্রত্যেক প্রত্যাবাসিতকে পথখরচা, কিছু খাদ্যসামগ্রী, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে অস্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা একযোগে কাজ করছে।