পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় একসঙ্গে ‘শান্তি, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে’ এগিয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শুক্রবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সম্মানে ইফতার অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে কথা বলেন।
তিনি বলেন, “আজকের এই ইফতার শুধু একটি আনুষ্ঠানিক আয়োজন নয়, এটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় নানা জাতি, ধর্ম ও সংস্কৃতির মানুষের পারস্পরিক সম্মান, সহমর্মিতা ও ঐক্যের গুরুত্বের কথা। এই মূল্যবোধই একটি শান্তিপূর্ণ ও সহনশীল সমাজ গঠনের ভিত্তি।” পারস্পরিক ‘শ্রদ্ধা, সহযোগিতা ও আস্থার’ ভিত্তিতে বাংলাদেশ সকল দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সম্পর্ককে ‘অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়’ বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।
স্বাধীনতা রক্ষা, মানবাধিকার নিশ্চিত করা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, “দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সুদৃঢ় রাখা, নারীদের আরও বেশি ক্ষমতায়ন ও উৎসাহ প্রদান এবং নতুন উদ্যোক্তাদের সহায়তার মাধ্যমে একটি শক্তিশালী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।”
ইফতার অনুষ্ঠানে এসে প্রধানমন্ত্রী কূটনীতিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। তার স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমানও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
ভারতের হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মা, পাকিস্তানের হাই কমিশনার ইমরান হায়দার, শ্রীলংকার রাষ্ট্রদূত ধর্মপাল বীরাককোডি, ভুটানের রাষ্ট্রদূত দাশো কারমা হামু দর্জি, নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভাণ্ডারি প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিবারের সঙ্গে এক টেবিলে বসে ইফতার করেন।
ঢাকায় মুসলিম দেশগুলোর রাষ্ট্রদূত, যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিসেন্টসেন, যুক্তরাজ্যের হাই কমিশনার সারাহ কুক, চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনসহ ঢাকায় বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাই কমিশনারা ইফতারে যোগ দেন।