কে-পপ বিশ্বে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকা ব্ল্যাকপিংক ফের প্রমাণ করল কেন তারা বিশ্বসেরা। তাদের নতুন ইপি (এক্সটেন্ডেড প্লে) 'ডেডলাইন' প্রকাশের পর থেকেই ভক্তদের মাঝে তুমুল উন্মাদনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। পরিসংখ্যান বলছে, অ্যালবামটি প্রকাশের প্রথম দিনেই ১৪ লাখ কপির বেশি বিক্রি হয়েছিল।
ভাঙল আগের সব রেকর্ড অ্যালবাম বিক্রির হিসাব রাখা প্রতিষ্ঠান হান্টেও চার্টের তথ্য অনুযায়ী, ব্ল্যাকপিংকের আগের সফল অ্যালবাম 'বর্ন পিংক'-এর তুলনায় এই নতুন অ্যালবামটি প্রায় ২ লাখ ৩০ হাজার কপি বেশি বিক্রি হয়েছে। বিশ্বব্যাপী ক্রমবর্ধমান চাহিদার কারণে ওয়াইজি এন্টারটেইনমেন্ট জানিয়েছে, তারা অ্যালবামের অতিরিক্ত কপি তৈরির কাজ শুরু করেছে।
আন্তর্জাতিক চার্টে আধিপত্য শুধু বিক্রিতেই নয়, স্ট্রিমিং এবং চার্টেও জয়জয়কার ব্ল্যাকপিংকের। এই ইপি-টি বিশ্বের ৩৮টি অঞ্চলে আইটিউনস টপ অ্যালবামস চার্টে শীর্ষস্থান দখল করেছে। অ্যালবামের প্রধান গান 'গো' (Go)-এর মিউজিক ভিডিও ইউটিউব ট্রেন্ডিংয়ের শীর্ষে রয়েছে এবং প্রকাশের প্রথম ২৪ ঘণ্টায় এটি ছিল প্ল্যাটফর্মটির সর্বাধিক দেখা ভিডিও।
সমালোচকদের প্রশংসা বিখ্যাত মিউজিক ম্যাগাজিন রোলিং স্টোন ব্ল্যাকপিংকের এই প্রত্যাবর্তন নিয়ে লিখেছে, "ব্ল্যাকপিংক তাদের সেরা সময়েই ফিরে এসেছে।" অন্যদিকে বিলবোর্ড জানিয়েছে, 'গো' গানটি ব্ল্যাকপিংকের সংগীত প্রতিভার প্রকৃত পরিচয় বহন করে এবং এটি অ্যালবামের সেরা গান।
ওয়ার্ল্ড ট্যুর ও আগামী পরিকল্পনা ২০২৫ সালের জুলাই মাসে ব্ল্যাকপিংক তাদের 'ডেডলাইন' ওয়ার্ল্ড ট্যুরের ঘোষণা দিয়েছিল, যার নাম থেকেই এই অ্যালবামের নামকরণ করা হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত ১৬টি শহরে ৩৩টি শো সফলভাবে সম্পন্ন করেছে গ্রুপটি। বিশেষ করে লন্ডনের ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামের মতো বড় বড় ভেন্যুতে তাদের প্রতিটি কনসার্ট ছিল কানায় কানায় পূর্ণ। এই বিশাল সাফল্যের পর জিসু, জেনি, রোজ এবং লিসার পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে ভক্তদের কৌতূহল এখন তুঙ্গে।