• জাতীয়
  • জ্বালানি তেল বিক্রিতে সব বিধিনিষেধ প্রত্যাহার, সুখবর দিলেন প্রতিমন্ত্রী

জ্বালানি তেল বিক্রিতে সব বিধিনিষেধ প্রত্যাহার, সুখবর দিলেন প্রতিমন্ত্রী

আসন্ন ঈদযাত্রা ও কৃষিখাতে সেচ কাজ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়।

জাতীয় ১ মিনিট পড়া
জ্বালানি তেল বিক্রিতে সব বিধিনিষেধ প্রত্যাহার, সুখবর দিলেন প্রতিমন্ত্রী

সারাদেশে জ্বালানি তেল বিক্রির ওপর আরোপিত সব ধরনের বিধিনিষেধ তুলে নিয়েছে সরকার। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত আজ রোববার (১৫ মার্চ) এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেন। আসন্ন ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে এবং কৃষিখাতে সেচ কার্যক্রম সচল রাখতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় বিক্রির ওপর আরোপিত সব ধরনের বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করা হয়েছে। রাজধানীর এক অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এই সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানান।

বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের কারণ প্রতিমন্ত্রী জানান, মূলত দুটি বিশেষ বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রথমত, আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সাধারণ মানুষের ঘরমুখো যাত্রা যেন সহজ ও নিরবচ্ছিন্ন হয়। দ্বিতীয়ত, বর্তমানে চলমান সেচ মৌসুমে কৃষকদের যেন জ্বালানি সংকটে পড়তে না হয়। সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে গ্রাহকরা এখন থেকে চাহিদামতো যেকোনো পরিমাণ জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারবেন।

স্বাভাবিক হচ্ছে সরবরাহ ব্যবস্থা জ্বালানি সংকট কাটিয়ে ওঠার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বেশ কিছু জ্বালানি তেলবাহী জাহাজ ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে। এর ফলে দেশের ডিপোগুলোতে তেলের পর্যাপ্ত মজুত নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। সরবরাহ স্বাভাবিক পর্যায়ে চলে আসায় এখন আর বিধিনিষেধ বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তা নেই।

অতীতের সীমাবদ্ধতা ও বর্তমান পরিস্থিতি উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় গত ৬ মার্চ থেকে সরকার তেল বিক্রির ওপর নির্দিষ্ট সীমা বেঁধে দিয়েছিল। শুরুতে মোটরসাইকেলের জন্য মাত্র ২ লিটার তেল কেনার সুযোগ ছিল। পরবর্তীতে রাইড শেয়ারিং সেবার সুবিধার্থে তা বাড়িয়ে ৫ লিটার করা হয়েছিল। ফিলিং স্টেশনগুলোতেও চাহিদার তুলনায় সরবরাহ ২৫ শতাংশ হ্রাস করা হয়েছিল।

সরকারের এই নতুন ঘোষণার ফলে এখন থেকে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল সংগ্রহে আগের মতো আর কোনো দীর্ঘ লাইন বা পরিমাণগত সীমাবদ্ধতা থাকবে না। বিশেষ করে কৃষিখাতে সেচ কাজ এবং পরিবহন খাতে গতি ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Tags: bangladesh news energy ministry fuel oil fuel supply irrigation season eid travel