মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে কল্যাণপুর ও গাবতলী বাস টার্মিনাল এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, যে-সব পরিবহনের নিজস্ব ফিলিং স্টেশন নেই, সেসব কোচকে অর্ধেক তেল নিয়ে ঢাকা ছাড়তে হচ্ছে।
বাকি তেল তারা পথে জেলা ও উপজেলা শহরের পাম্প থেকে সংগ্রহ করছে। এতে সময় নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি শিডিউল ঠিক রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে।
কল্যাণপুর টার্মিনালে দেখা যায়, অনেক কোচ তেলের অভাবে দেরিতে ছাড়ছে। এস আর পরিবহনের একটি বাস নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন ঘণ্টা পর ছেড়েছে।
কাউন্টার মাস্টার বেলাল হোসেন জানান, তেলের জন্য দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করায় বাস সময়মতো কাউন্টারে আসতে পারেনি।
একই চিত্র অন্যান্য পরিবহনের কিছু কোচেও দেখা গেছে। কল্যাণপুরের একটি ফিলিং স্টেশনের মিটার ম্যান নাজমুল হাসান জানান, আগে যেখানে প্রতিদিন ৯ হাজার লিটার তেল সরবরাহ করা হতো, এখন তা কমে প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। ডিজেল প্রায় শেষ হয়ে যাওয়ায় অনেক গাড়ি তেল না নিয়েই ফিরে যাচ্ছে।
অন্যদিকে, সোহরাব ফিলিং স্টেশনের কর্মীরা জানান, একটি বাসের প্রয়োজন ১০০ লিটার তেল হলেও এখন দেওয়া হচ্ছে মাত্র ৫০ লিটার। ফলে বাসগুলোকে ফেরার পথে অন্য পাম্প থেকে তেল সংগ্রহ করতে হচ্ছে।
এদিকে, মানিকগঞ্জ, রাজবাড়ীসহ বিভিন্ন রুটের মিনিবাসও একই সমস্যায় পড়েছে। চালক ও সুপারভাইজাররা জানান, দুই জায়গা থেকে তেল নিতে গিয়ে সময়ের অপচয় হচ্ছে এবং শিডিউল ভেঙে পড়ছে।