রাজধানীর উত্তরা সেন্টার পয়েন্ট থেকে শুরু করে দেশের প্রতিটি প্রান্তের সিনেপ্লেক্সগুলোতে এখন একটাই শব্দ প্রতিধ্বনিত হচ্ছে—হাউসফুল! দর্শকরা বুঁদ হয়ে আছেন এক ভিন্নধর্মী সিনেমাটিক অভিজ্ঞতায়। রায়হান রাফী নিজেই এই অভাবনীয় সাফল্যে উচ্ছ্বসিত।
নির্মাণ ও প্রেক্ষাপট ইমপ্রেস টেলিফিল্ম ও কানন ফিল্মসের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত এই সিনেমার মূল চালিকাশক্তি এর গল্প। ছবির প্রধান আকর্ষণ হিসেবে রয়েছেন চার শক্তিশালী নারী চরিত্র—শবনম বুবলী, নাজিফা তুষি, স্নিগ্ধা চৌধুরী ও মারিয়া শান্ত। তাদের ভিন্ন ভিন্ন জীবনের গল্পকে নির্মাতা এক সুতোয় গেঁথেছেন অত্যন্ত দক্ষতায়, যা দর্শকদের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মন্ত্রমুগ্ধ করে রেখেছে।
তারকাবহুল অভিনয় ও কারিগরি দক্ষতা সিনেমায় এই চার অভিনেত্রীর পাশাপাশি রয়েছেন একঝাঁক কিংবদন্তি অভিনেতার উপস্থিতি। ফজলুর রহমান বাবু, শহীদুজ্জামান সেলিম, মিশা সওদাগর এবং আজিজুল হাকিমদের মতো অভিনয়শিল্পীদের উপস্থিতি ছবিটির গভীরতা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। দীর্ঘ ব্যাপ্তির সিনেমা হওয়া সত্ত্বেও এর গতিশীল চিত্রনাট্য, আন্তর্জাতিক মানের সিনেমাটোগ্রাফি এবং ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক দর্শকদের এক মুহূর্তের জন্যও চোখ সরাতে দিচ্ছে না। বিশেষ করে অংকনের কণ্ঠে গাওয়া গানটি ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
নির্মাতার প্রতিক্রিয়া সাফল্যের এই আনন্দ ভাগ করে নিতে নির্মাতা রায়হান রাফী নিজেই বিভিন্ন সিনেমা হলে গিয়ে দর্শকদের সাথে সরাসরি মতবিনিময় করছেন। তিনি বলেন, ‘জয় হোক বাংলা সিনেমার। দর্শকদের মুখে মুখেই প্রেশার কুকার ছড়িয়ে পড়ছে—এর থেকে বড় মার্কেটিং আর কী হতে পারে! হলে এমন অভিজ্ঞতা আমাদের দর্শকরা আগে কখনো পাননি।’
বক্স অফিসে নতুন সম্ভাবনা অনেকেই মন্তব্য করছেন যে, ‘তুফান’ ও ‘তাণ্ডব’-এর বিশাল সাফল্যের পর রাফী নিজেকেই ছাড়িয়ে গেছেন। এই ‘ওয়ার্ড অব মাউথ’ বা দর্শকদের ইতিবাচক প্রশংসা ছবিটির বক্স অফিস সংগ্রহে বড় ধরনের প্রবৃদ্ধি আনবে বলে মনে করছেন চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা।