আসন্ন পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) অংশ নিতে যাচ্ছেন বাংলাদেশের ৬ জন ক্রিকেটার। তবে মাঠের লড়াই শুরুর আগেই টুর্নামেন্টের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও সূচিতে বড় ধরনের রদবদল এসেছে। মূলত আঞ্চলিক সংঘাত ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করেই পিসিবি এই কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
ভেন্যু ও ম্যাচের সংখ্যায় পরিবর্তন আগামী ২৬ মার্চ থেকে ৩ মে পর্যন্ত পিএসএলের একাদশ আসর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ৮টি দলের অংশগ্রহণে ৩৯ দিনে ৪৪টি ম্যাচ পাকিস্তানের ৬টি ভেন্যুতে আয়োজনের পরিকল্পনা ছিল। তবে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যাতায়াত ও জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে টুর্নামেন্টটি এখন কেবল লাহোর ও করাচিতে সীমাবদ্ধ রাখা হবে।
দর্শকহীন গ্যালারি ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বাতিল পিসিবি সভাপতি মহসিন নাকভি জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিপুল সংখ্যক মানুষের সমাগম নিয়ন্ত্রণ করা চ্যালেঞ্জিং। প্রতিদিন প্রায় ৩০ হাজার দর্শকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন হওয়ায় পুরো টুর্নামেন্ট দর্শকশূন্য মাঠে আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। একই কারণে বাতিল করা হয়েছে জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানও। পিসিবি প্রধানের মতে, সংকটকালীন এই সময়ে নিরাপত্তার স্বার্থে কোনো ঝুঁকি নেওয়া সম্ভব নয়।
অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশের ৬ ক্রিকেটার পিএসএলের এবারের আসরে মাঠ মাতাতে দেখা যাবে বাংলাদেশের বেশ কয়েকজন তারকা ক্রিকেটারকে। বাংলাদেশ থেকে এবারের আসরে ডাক পেয়েছেন মুস্তাফিজুর রহমান, পারভেজ হোসেন ইমন, নাহিদ রানা, শরিফুল ইসলাম এবং তানজিদ হাসান তামিমসহ মোট ৬ জন ক্রিকেটার।
সংকটের প্রভাব ক্রীড়াঙ্গনে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার উত্তেজনা এবং পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে চলমান অস্থিরতার সরাসরি প্রভাব পড়েছে দেশটির সবচেয়ে বড় ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে। মূলত ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা এবং রাষ্ট্রীয় ব্যয় সংকোচনের লক্ষ্যেই পিসিবি এই অজনপ্রিয় কিন্তু প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্তগুলো নিয়েছে।