পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সরকারের পক্ষ থেকে দুস্থ ও অসহায় মানুষের সহায়তায় ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। সাধারণত এই ধরনের বরাদ্দের হিসাব জনসমক্ষে আসার নজির কম থাকলেও, হাসনাত আব্দুল্লাহ এই প্রথা ভেঙে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সাথে উপকারভোগীদের তালিকা প্রকাশ করেছেন।
বিতরণের বিস্তারিত তথ্য হাসনাত আব্দুল্লাহ জানান, কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন এবং একটি পৌরসভার মোট ১৪৪টি ওয়ার্ডে এই মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দের আওতায় ১০০০ জন ব্যক্তিকে জনপ্রতি ১০০০ টাকা করে মোট ১০ লাখ টাকা নগদ প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া তালিকার অবশিষ্ট ৫০০ জনকে ব্যক্তিগত উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী প্রদান করেছেন এই সংসদ সদস্য।
স্বচ্ছতা ও গোপনীয়তা রক্ষা ফেসবুকে প্রকাশিত তালিকায় সুবিধাভোগীদের নাম উল্লেখ থাকলেও ব্যক্তিগত নিরাপত্তার খাতিরে জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) এবং মোবাইল নম্বরের অংশবিশেষ ঢেকে দেওয়া হয়েছে। তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, প্রশাসনিক যে কোনো ধরনের অনুসন্ধানের জন্য পূর্ণাঙ্গ তথ্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।
দলমতের ঊর্ধ্বে মানবিক সহায়তা সংসদ সদস্য তার স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন, এই সহায়তা বিতরণের ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা করা হয়নি। প্রতিটি ওয়ার্ডের সবচেয়ে সুবিধাবঞ্চিত ও প্রকৃত অভাবী মানুষের কাছে এই অর্থ পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই পুরো তালিকাটি জনগণের দেখার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।
হাসনাত আব্দুল্লাহর এই উদ্যোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ প্রশংসিত হচ্ছে। নেটিজেনরা মনে করছেন, জনপ্রতিনিধিদের এমন স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।