• দেশজুড়ে
  • ২৬ মার্চ উপলক্ষে পতাকা বিক্রির ধুম

২৬ মার্চ উপলক্ষে পতাকা বিক্রির ধুম

দেশজুড়ে ১ মিনিট পড়া
২৬ মার্চ  উপলক্ষে  পতাকা  বিক্রির ধুম

দেবদত্ত মুৎসুদ্দী, রাঙ্গমাটি

২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাঙ্গামাটিতে জাতীয় পতাকা বিক্রির ধুম পড়েছে। ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতারা পাড়া-মহল্লায়, মোড়ে মোড়ে কাপড়ের ও কাগজের পতাকা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। ছোট-বড় বিভিন্ন আকারের পতাকার পাশাপাশি পতাকা সংবলিত টি-শার্ট ও মাথার ব্যান্ডও বিক্রি হচ্ছে, যা উৎসবের আমেজকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।লাখ শহিদের জীবন উৎসর্গকারীদের রক্তের বিনিময়ে লাল-সবুজের জাতীয় পতাকা।

২৬মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সরকারি-বেসরকারি অফিস, স্কুল কলেজ, বিভিন্ন শিক্ষা সামাজিক প্রতিষ্ঠান, বাড়ির ছাদে, যানবাহনের সামনে-এমনকি পাড়া মহল্লা, মোটর বাইক এর সামনেও জাতীয় পতাকা ওড়ান অনেকেই। এজন্য ডিসেম্বর মাস এলেই দেশজুড়ে জাতীয় পতাকার চাহিদা বেড়ে যায় ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসকে উপলক্ষ করে।

রাঙ্গামাটি জেলা শহর বনরুপা চৌরাস্তর মোরে, পার্কের সামনে, টেইলার দোকানে, বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে জাতীয় পতাকা বিক্রি শুরু করছেন বেশ কিছু মৌসুমী ব্যবসায়ীরা।

বনরুপা পতাকা বিক্রি করতে আসা মোহাম্মদ কবির বলেন, ‘২৬ মার্চ স্বাধীনতা মাস ছাড়া অন্য সময় ফেরি করে কাপড়,বেডশিড,বালিশের কাবার,সহ বিভিন্ন জামা, বেচাকেনা করি। এ মাসে পতাকার চাহিদা বেশি থাকে। তাই এ কাজ করছি। মাসজুড়ে খদ্দেরের হাতে পতাকা তুলে দিয়ে যদি কিছু টাকা রোজগার করাযায় পরিবার ভালো মন্দ চাহিদা পুরণ৷৷ করতে পারবো।

তিনি গত ৭থেকে ৮ বছর ধরে বিজয়ের মাস এলেই লম্বা বাঁশের উপর থেকে নিচ পর্যন্ত বড় থেকে ছোট বিভিন্ন আকারের পতাকা সাজিয়ে বিক্রি করতে বিভিন্ন জায়গায় ছুটে চলেন।

পতাকার ক্রেতা জলি চাকমা বলেন, ‘ছোট নাতির জন্য পতাকা কিনলাম। ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের সময় ছোটদের হাতে পতাকা তুলে দিলে তাদের দেশের প্রতি দায়িত্ব বোধ জাগ্রত হয়। দেশের ইতিহাস সম্পর্কে জানার আগ্রহ বাড়ে।’ মৌসুম ব্যবসায়ি রাতুল জানান, বিভিন্ন উপলক্ষে যেমন, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস, ভাষা দিবস, ২১শে ফেব্রয়ারি, মাসে ও জাতীয় পতাকার চাহিদা থাকে, এরকম মৌসম ব্যবসায়ি ঢাকা মগবাজার থেকে পতাকা বিক্রি করে বিভিন্ন জেলায় প্রায় দুই শতাধিক।