ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এই মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, স্কুল, হাসপাতাল, ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক স্থাপনা এবং আবাসিক এলাকাসহ বিভিন্ন বেসামরিক কেন্দ্রকে লক্ষ্য করে ‘অবৈধ হামলা’ চালানো হচ্ছে।
এদিকে আরাগচি টেলিগ্রাম এ দেওয়া এক পোস্টে জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে তিনি রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের সঙ্গে ফোনে আলোচনা করেছেন।
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনার খবর অনুসারে আরাগচি বলেন, হরমুজ প্রণালিতে যে অস্থিতিশীলতা তৈরি হয়েছে তার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপ দায়ী। তার মতে, এই পরিস্থিতিতে প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণ করার আইনি অধিকার ইরানের রয়েছে।
অন্যদিকে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া বার্তায় বলেন, ইসরায়েল ইরানের দুটি বৃহৎ ইস্পাত কারখানা, একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং বেসামরিক পারমাণবিক স্থাপনাসহ বিভিন্ন অবকাঠামোয় হামলা চালিয়েছে।
আরাগচির ভাষ্য অনুযায়ী, ইসরায়েল দাবি করেছে তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করেই এই হামলা চালিয়েছে। তিনি বলেন, এ ধরনের পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষিত কূটনীতির জন্য দেওয়া বাড়তি সময়সীমার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর হামলা ১০ দিনের জন্য স্থগিত রাখা হবে।
এক জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা বলেছেন, আলোচনার আহ্বান জানিয়ে একই সঙ্গে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের হামলা চালানো ‘অসহনীয়’। শিল্প ও পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার ফলে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাবে সাড়া দেওয়া হবে কিনা তা এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলেও তিনি জানান।