• দেশজুড়ে
  • রংপুরে ক্যান্টমেন্ট ঘেরাও দিবস পালন তীর-ধনুক লাঠিশোঠা নিয়ে ক্যান্টনমেন্ট ঘেরাও ইতিহাসের বিরল ঘটনা

রংপুরে ক্যান্টমেন্ট ঘেরাও দিবস পালন তীর-ধনুক লাঠিশোঠা নিয়ে ক্যান্টনমেন্ট ঘেরাও ইতিহাসের বিরল ঘটনা

দেশজুড়ে ১ মিনিট পড়া
রংপুরে ক্যান্টমেন্ট ঘেরাও দিবস পালন  তীর-ধনুক লাঠিশোঠা নিয়ে ক্যান্টনমেন্ট ঘেরাও ইতিহাসের বিরল ঘটনা

শাকিল আহমেদ, ব্যুরো চীফ রংপুর

তীর-ধনুক লাঠিশোঠা নিয়ে ক্যান্টনমেন্ট ঘেরাও পৃথিবীর ইতিহাসের একটি বিরল ঘটনা। যা মুক্তিযুদ্ধের সময় রংপুরের মানুষ করে দেখিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন রংপুর রেঞ্জ ডিআ্ইজি আমিনুল ইসলাম।শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের মধ্য দিয়ে পালিত হলো রংপুরে ঐতিহাসিক ক্যান্টনমেন্ট ঘেরাও দিবস।

শনিবার ( ২৮ মার্চ) সকাল দশটায় রংপুর মহানগরীর নিসবেতগঞ্জ রক্ত গৌরব স্মৃতি ভাস্কর্যে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে একথা বলেন তিনি। এর আগে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আব্দুল মোত্তালেব, রেঞ্জ ডিআইজি আমিনুল ইসলাম, মহানগর পুলিশ কমিশনার মজিদ আলী, ডিসি মোহাম্মদ এনামুল আহসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জয়নাল আবেদীন, জেলা ওমহানগর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিল, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ বিভিন্ন সামাজিক পেশাজীবি, রাজনৈতিক সংগঠন পৃথক পৃথভাবে সেখানে ফুলেল শ্রদ্ধা জানান। পরে শহীদদের উদ্দেশ্যে দোয়া মোনাজাত করা হয়। এসময় রেঞ্জ ডিআইজি আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘পৃথিবীর ইতিহাসে একটি বিরল ঘটনা ১৯৭১ সালের ২৮ মার্চ তীর ধনুক লাঠিসোঁটা নিয়ে৷ ক্যান্টনমেন্ট ঘেরাও করেছিল রংপুরের মানুষ। যা বিপ্লবীদের আরো প্রেরণা যোগায়। মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ২৪ এর জুলাই অভ্যুন্থানের আকাঙখা বাস্তবায়নের জন্য অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং ন্যায় ও ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ে তোলাই আমাদের চ্যালেঞ্জ। তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। প্রসঙ্গত: ১৯৭১ সালের ২৮ মার্চ রংপুরের মুক্তিকামীজনতা রংপুর ক্যান্টমেন্ট ঘেরাও করলে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর গুলিবর্ষনে অনেক মুক্তিকামী মানুষ শহীদ হয়েছিলেন। তখন থেকেই দিবসটিকে ক্যান্টনমেন্ট দিবস হিসেবে পালন করে স্থাণীয় প্রশাসন ও এলাকাবাসি।