• আন্তর্জাতিক
  • উদ্বোধনের পরই হুড়মুড় করে ধসে পড়ল চীনের আইকনিক হংছি সেতু

উদ্বোধনের পরই হুড়মুড় করে ধসে পড়ল চীনের আইকনিক হংছি সেতু

আন্তর্জাতিক ১ মিনিট পড়া
উদ্বোধনের পরই হুড়মুড় করে ধসে পড়ল চীনের আইকনিক হংছি সেতু

৭৫৮ মিটার দীর্ঘ কৌশলগত সংযোগ সড়ক ভূমিধসের কবলে; নির্মাণ স্থায়িত্ব নিয়ে ফের প্রশ্ন।

নৈসর্গিক সৌন্দর্য: ভূমিধসের কবলে আইকনিক সেতু

চীনের দ্রুততম অবকাঠামো উন্নয়নের (Infrastructure Development) ইতিহাসে এবার যুক্ত হলো আরও একটি মর্মান্তিক বিপর্যয় (Disaster)। সম্প্রতি চালু হওয়া দৃষ্টিনন্দন একটি আইকনিক সেতু (Iconic Bridge) চোখের পলকেই হুড়মুড় করে ধসে পড়েছে। পাহাড়ি উপত্যকা অধ্যুষিত দক্ষিণপশ্চিম চীনের সিচুয়ান প্রদেশের হংছি ব্রিজে এই ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার।

মঙ্গলবার ঘটে যাওয়া ভয়াবহ এই ঘটনার ভিডিও ফুটেজ ইতিমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল (Viral) হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, দৃঢ়ভাবে নদীর ওপর দাঁড়িয়ে থাকা সেতুটি হঠাৎ করেই ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে পাহাড়ের কোল গড়িয়ে সোজা নদীর মধ্যে পড়ে যাচ্ছে। কংক্রিটের টুকরোগুলো গড়িয়ে পড়ছে পাহাড়ের ঢালে, আর চারপাশ ধুলোর কুয়াশায় ঢেকে যাচ্ছে।

৭৫৮ মিটারের কৌশলগত সংযোগ ধস

হংছি ব্রিজটি ছিল ৭৫৮ মিটার দীর্ঘ এবং এটি সিচুয়ান থেকে তিব্বত পর্যন্ত সংযোগ সড়কের একটি কৌশলগতভাবে (Strategically) গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মূলত দুটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকার মাঝে যোগাযোগ স্থাপন (Connectivity) করেছিল এই সেতুটি।

তবে এই ভয়াবহ ঘটনার জন্য ভূমিধসকে (Landslide) দায়ী করা হয়েছে। সোমবার সেতুটির কাছাকাছি সড়কে ফাটল দেখা দেওয়ার পর প্রশাসন আগেভাগেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে যান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছিল। আর ঠিক পরদিনই এক ভয়াবহ ভূমিধসের ফলে সেতুর একটি বড় অংশ পুরোপুরি ধসে নদীর মধ্যে পড়ে যায়।

নির্মাণ স্থায়িত্ব নিয়ে ফের প্রশ্ন

সৌভাগ্যবশত, প্রশাসন সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়ায় এই বিপর্যয়ে এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির (Casualty) খবর পাওয়া যায়নি।

সিচুয়ান রোড অ্যান্ড ব্রিজ গ্রুপ দ্বারা নির্মিত এই সেতুটির কাজ শেষ হয়েছিল এ বছরের শুরুর দিকেই। চীন গত কয়েক দশকে পাহাড়ি অঞ্চলে দ্রুত সেতু নির্মাণের ক্ষেত্রে একের পর এক রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। কখনও কখনও তাদের এই উন্নয়ন বিশ্বকে মুগ্ধ করেছে। কিন্তু এমন ধসের রেকর্ডও কম নয়। ফলে তাদের এই দ্রুতগতির নির্মাণের (Rapid Construction) স্থায়িত্ব (Durability) এবং গুণগত মান (Quality) নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে আবারও প্রশ্ন উঠেছে।