• দেশজুড়ে
  • ‘যত ধরনের সংস্কার সবই বিএনপির ৩১ দফায় আছে’: জুলাই সনদের আন্দোলনকারীদের প্রতি ডা. জাহিদ

‘যত ধরনের সংস্কার সবই বিএনপির ৩১ দফায় আছে’: জুলাই সনদের আন্দোলনকারীদের প্রতি ডা. জাহিদ

দেশজুড়ে ১ মিনিট পড়া
‘যত ধরনের সংস্কার সবই বিএনপির ৩১ দফায় আছে’: জুলাই সনদের আন্দোলনকারীদের প্রতি ডা. জাহিদ

‘নতুন করে সংস্কারের প্রয়োজন নেই’; দিনাজপুরে বেগম জিয়ার নির্বাচনী প্রচারণায় কৃষি, স্বাস্থ্য ও গণতন্ত্রে জিয়ার অবদান তুলে ধরলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য

সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা: ৩১ দফায় বিএনপির চূড়ান্ত প্রস্তাব

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং বেগম খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক প্রফেসর ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন মন্তব্য করেছেন যে, বর্তমানে দেশের কিছু রাজনৈতিক দল যে ‘সংস্কার’ নিয়ে আন্দোলন করছে, তার কোনো প্রয়োজন নেই। তাঁর দাবি, “যত ধরনের সংস্কার সবই বিএনপির ৩১ দফায় আছে।” এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি জুলাই সনদ বা অনুরূপ সংস্কার দাবিতে আন্দোলনকারীদের প্রতি নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান (Political Stance) স্পষ্ট করেছেন।

বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) দুপুরে দিনাজপুরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে সাংবাদিক ও সুধীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

খালেদা জিয়ার নির্বাচনী ক্যাম্পেইন ও ঐক্যবদ্ধ দেশ গড়ার ডাক

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দিনাজপুর সদর-৩ (সদর) আসনে বিএনপি চেয়ারপারসন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অংশগ্রহণ উপলক্ষে দিনাজপুর জেলা বিএনপি এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করে।

ডা. জাহিদ হোসেন তাঁর বক্তৃতায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং জাতীয় ঐক্যের ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, “এই প্রজন্মের ধারণা বুঝতে না পারলে আমরা এগিয়ে যেতে পারবো না। তাই হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান সবাইকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ গড়ার জন্য কাজ করতে হবে।”

তিনি বলেন, গণতন্ত্র ও ন্যায়ের পক্ষে কথা বলা নেত্রীর নাম বেগম খালেদা জিয়া। তাই আগামী নির্বাচনে দিনাজপুর সদর আসন থেকে বেগম জিয়াকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করতে তিনি দলমত নির্বিশেষে সবার সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, বেগম খালেদা জিয়া এ পর্যন্ত ২৩টি নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন এবং সব কটিতেই তিনি বিজয়ী হয়েছেন।

শহীদ জিয়ার উন্নয়ন মডেল ও সুশাসনের স্লোগান

ডা. জাহিদ হোসেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদান তুলে ধরে বলেন, কৃষির আধুনিকায়ন (Modernization), শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পল্লী বিদ্যুতের আধুনিকায়ন, গারমেন্টস ব্যবসা সহ সবকিছুর সূচনা করেছিলেন শহীদ জিয়া। দেশে যত উন্নয়ন ও সংস্কার হয়েছে, সবই বিএনপি করেছে। স্বনির্ভর অর্থনীতির স্থপতি হিসেবে জিয়ার অবদানকে তিনি ঐতিহাসিক বলে উল্লেখ করেন।

তিনি জনগণের প্রতি আহ্বান জানান, “পানি ঘোলা করে স্বৈরাচার ফিরে আসার পথকে প্রশস্ত করা যাবে না। আমাদের কুশাসন থেকে বের হয়ে সুশাসনের দিকে আসতে হবে।” তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, যারা গণতন্ত্রের জন্য জীবন বাজি রেখে আন্দোলন করে, তারা জনগণের শত্রু নয়; বরং জনগণের কণ্ঠরোধ করা স্বৈরাচারী শক্তিই আসল শত্রু।