আশুলিয়ায় সড়কে অগ্নিসংযোগ: Modus Operandi-তে নাশকতার ছায়া
সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতা ও Law and Order পরিস্থিতির মাঝে এবার সাভারের আশুলিয়ায় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি পিকআপ ভ্যানে (Pickup Van) অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটল। দুর্বৃত্তরা অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে এ ঘটনা ঘটিয়ে দ্রুত এলাকা থেকে সটকে পড়ে।
শুক্রবার (১৪ নভেম্বর, ২০২৫) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে আশুলিয়া উপজেরার সরকার মার্কেট এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটে। এই Arson বা অগ্নিসংযোগের ধরন দেখে স্থানীয়দের মধ্যে নাশকতামূলক কার্যকলাপের (Sabotage) উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ ও আগুনের ভয়াবহতা
জিরাবো মডার্ন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন সূত্র এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা যায়, ভোরে সড়কের পাশে পার্কিং-এ রাখা পিকআপটির কাছে মোটরসাইকেলে করে দুই ব্যক্তি এসে থামে। এটি ছিল তাদের Execution Strategy। মুহূর্তের মধ্যেই তারা চালকের আসনের সামনের অংশে পেট্রোল (Fuel) ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গেই তার লেলিহান শিখা দ্রুত গাড়ির ইঞ্জিনের দিকে ছড়িয়ে পড়তে থাকে। আগুনের ভয়াবহতা দেখে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে প্রাথমিকভাবে নিজেদের চেষ্টায় আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন, তবে সফল হননি।
ফায়ার সার্ভিসের তত্পরতা ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ
খবর পেয়ে জিরাবো মডার্ন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের দুটি ইউনিট দ্রুততার সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তাদের একটি ইউনিটের প্রচেষ্টায় আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।
এ বিষয়ে স্টেশনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আবু সায়েম মাসুম সংবাদমাধ্যমকে জানান, “আমরা খবর পেয়েই দ্রুত Fire Fighting শুরু করি এবং সফলভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। তবে এর আগেই পিকআপের ইঞ্জিনসহ সামনের অংশটি (Front Cabin) সম্পূর্ণরূপে পুড়ে যায়। আগুনের ফলে গাড়ির Internal Structure-এর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।”
তদন্তে পুলিশ: নেপথ্যের কারণ ও Security উদ্বেগ
এই অগ্নিসংযোগের ঘটনার উদ্দেশ্য (Motive) ও নেপথ্যের কারণ সম্পর্কে এখনো নিশ্চিতভাবে কিছু জানা যায়নি। তবে, সাম্প্রতিক সময়ে দেশজুড়ে Public Property-তে অগ্নিসংযোগের ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ায় এই ঘটনাটি জনমনে নতুন করে উদ্বেগ ও আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
আশুলিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুর্বৃত্তদের চিহ্নিত করতে তদন্ত শুরু হয়েছে। একজন উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তারা CCTV Footage খতিয়ে দেখছেন এবং এটি কেবল ব্যক্তিগত আক্রোশ, নাকি কোনো বৃহৎ নাশকতার অংশ, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ধরনের কার্যকলাপ Public Security-এর জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।